শিরোনাম
এশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্টজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়েজয় পরাজয় থাকবে তবে মানুষের মাঝে মিলন মেলা আর বন্ধুত্বের জয় হবে: লে. কর্ণেল মীর মোরশেদОткройте для себя мир азарта в Казино Пин-ап с большими деньгами!আগামী পাঁচ বছরে ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডখাগড়াছড়ির রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনলংগদু রাজনগর বিজিবি জোনের পক্ষে সোলার প্যানেল ও সেলাই মেশিন বিতরণকাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসের ৯ বছর, এখনোও ঝুঁকিতে ৫শত পরিবারكيفية حل المشكلات الشائعة في وان اكس بت للايفونЛучшие способы скачать 1хбет приложение для ставок на Android

স্থানীয় জনসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা থাকলে উন্নয়ন করা সম্ভব- দীপংকর তালুকদার

৭০

॥ নিরত বরন চাকমা,বরকল ॥

রাঙ্গামাটি জেলার সংসদ সদস্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার বলেন,পার্বত্য এলাকার স্থানীয় জনসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা থাকলে উন্নয়ন করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (১৭ অগাস্ট) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ কর্তৃক বরকল উপজেলাধীন ৫ ইউনিয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,ক্লাবে, প্রশিক্ষিত যুবক/যুবতীদের সেলাই মেশিন,ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও করোনা প্রতিরোধক সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য সবির কুমার চাকমা এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য রাঙ্গামাটি আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য মোঃ হাজী কামাল উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা শাখার আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার চাকমা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মমতাজুল হক মমতা,ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হোসেন মোল্লা প্রমূখ।

প্রধান অতিথি বলেন,করোনা পরিস্থিতি কারণে সকল প্রকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির হয়েছে। তারমধ্যও এ পরিস্থিতিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে পার্বত্য এলাকায় উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। বরকল উপজেলায় বিদ্যুৎবিহীন এলাকায় অতি দ্রুত বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। একইসাথে পরিকল্পিত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে। তবে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন রয়েছে।

এসময় বক্তব্য রাখেন,জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা,বরকল উপজেলা চেয়ারম্যান বিধান চাকমা, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি রাঙ্গামাটি জেলা শাখার আওয়ামীলীগের সদস্য সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল,বরকল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসিম উদ্দিন,বরকল আওয়ামীলীগ সদস্য সাইফুল ইসলাম মনির,সুবলং ইউপি চেয়ারম্যান তরুণ জ্যোতি চাকমা,বড় হরিণা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিলাময় চাকমা,ভূষণছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশীদ মামুন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল রানা বলেন, বেদনাবিধুর মাঝে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক ভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আলোচনার শুরুতেই প্রধান অতিথির উপস্থিতিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বরকল উপজেলা অন্য উপজেলার ন্যায় কাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন একই সাথে বরকল উপজেলার সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বক্তারা বলেন,বরকল উপজেলা একটি অতিপ্রাচীন উপজেলা ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তুু কাঠামোগত উন্নয়নের দিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তার মধ্যে উপজেলায় যোগাযোগ,বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের,অর্থনৈতিক,সমাজিকসহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেছেন।

বক্তারা আরোও বলেন,দূর্গম বিদ্যুৎবিহীন এলাকায় ২০২১-২২ সালের অর্থবছরে মধ্যে যেন বিদ্যুৎ সংযোগ করা হয় এ দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। সেই সাথে বরকল উপজেলার পানীয় জলের সমস্যা নিরসনের জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন। এসময় করোনাকালীন মূহুর্তে যে সকল মালামাল সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে অত্যান্ত যুগোপযোগী পদক্ষেপ বলে ভূয়সী প্রশংসা করেন বরকল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা বলেন,বরকলে উন্নয়ন না হওয়ার বড় কারণ হলো সংঘাত পরিস্থিতি। তিনি বলেন উন্নয়ন কাঠামোর মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ, বিদ্যুৎ,পানির সমস্য নিয়ে যে দাবি জানাননো হয়েছে সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবে আওয়ামীলীগ সরকার। তিনি আরোও বলেন প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে পার্বত্য এলাকায় চুক্তি অনুযায়ী সকল প্রকার উন্নয়ন করা হচ্ছে। এতে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। এসময় বরকল উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,বরকল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষকবৃন্দ সহ বিভিন্ন এলাকার গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভাশেষে ৫ ইউনিয়নে ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী,সাংস্কৃতিক সরঞ্জাম,করোনা প্রতিরোধক সামগ্রী এবং ২০জন প্রশিক্ষিত যুবতীকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।