শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে গিয়েও প্রতিকার পাননি সেকান্দর আলী তালুকদার

রাঙ্গামাটিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সেকান্দর আলীর পরিবার

৪৭

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

বয়স ৭৫ এর ছুঁই ছুঁই। নাম সেকান্দর আলী তালুকদার। স্ত্রী আর ছেলে-মেয়ে ৬ জন নিয়ে বসবাস করেন রাঙ্গামাটি শহরের পাবলিক হেলথ এলাকায়। তবে কিছু প্রভাবশালী ভূমিদস্যু ব্যক্তি আইনের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল হয়ে বিচার শালিসকে অমান্য করে তাঁর বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলা দিয়ে বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করেছেন, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ বাচ্চু মিয়া ও মোঃ আলী নামের তিনজন ব্যক্তি। এমতাবস্থায় তিনি রাঙ্গামাটি জেলার সকল প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে গিয়েও কোন প্রতিকার পাননি । বর্তমানে পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সেকান্দর আলী তালুকদার।

শুক্রবার সকালে রাঙ্গামাটি শহরের কাঠালতলীস্থ একাত্তর টেলিভিশন অফিস কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সেকান্দর আলী তালুকদার জানান, তিনি গরীব ও অসহায়। প্রতিনিয়ত পরিবার নিয়ে চিন্তিত ও ভয়ে থাকেন। বর্তমানে অন্যের বাড়িতে পরিবার নিয়ে আশ্রীত হয়ে আছেন। এরমধ্যে প্রভাবশালী মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ বাচ্চু মিয়া ও মোঃ আলী প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এমনি যার বাড়িতে আশ্রীত হিসেবে রয়েছেন, তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। তাই তিনি বানোয়োট মামলা ও পরিবারকে রক্ষা করতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সেকান্দর আলী তালুকদারের স্ত্রী নুরুনাহার বেগম, মেয়ে রেহেনা বেবগম এবং প্রতিবেশী কানাতা বেগম চৌধুরী ও রেজিয়া বেগম প্রমুখ