শিরোনাম
খেলাধুলা সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করে: বি. জেনারেল সোহেলমাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপনজব্দ ড্রেজার মেশিন প্রশাসনের অফিস সহায়কের বাসায় কেন প্রশ্ন ব্যবসায়ীদেরহিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপিরাঙ্গামাটিতে অজগর সাপ উদ্ধার, পরে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্তরোয়াংছড়িতে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সরঞ্জাম হস্তান্তরএমএন লারমা স্বপ্ন দেখেছিলেন অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিমার্ণের, তা বাস্তবায়ন হোকগঠিত এসব কমিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সহ সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশাপার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতীয় কমিটিকে অভিনন্দন‘সাজু আপা’ নিজেই নির্যাতিত কিন্তু কোন নারী-শিশু নির্যাতন হতে দেখলেই ছুঁটে যান

শুদ্ধাচার পুরস্কারে মনোনীত হয়েছে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা

৫৯

॥ আকাশ মারমা মংসিং,বান্দরবান ॥

এবার শুদ্ধাচার পুরষ্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সজল কান্তি বণিক স্বাক্ষরিত পত্রে এই তথ্য জানা যায়।

গত ২০ জুন স্বাক্ষরিত এই পত্রে শুদ্ধাচার পুরষ্কার নীতিমালা ২০১৭ অনুযায়ী ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক তিন ক্যাটাগরি অধীনস্ত দপ্তর, সংস্থা প্রধান, মন্ত্রণালয়ের গ্রেড ১ হতে গ্রেড ১০ এবং গ্রেড ১১ হতে গ্রেড ২০ কর্মচারী গণের প্রত্যেক ক্যাটাগরি হতে ১ জন করে মোট ৩জন সরকারী কর্মচারীকে পুরষ্কারের জন্য বাছাই করা হয়েছে।

এইদিকে আওতাধীন সংস্থার প্রধান হিসাবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, গ্রেড ১ থেকে ১০ এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা) মোহাম্মদ মোস্তাক আহম্মদ শাকিল। গ্রেড ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন শুদ্ধাচার পুরষ্কারের জন্য নির্বাচিত হয়।

আরো জানা যায়, শুদ্ধচার পুরষ্কার নীতিমালা হিসেবে ২০১৭ এক ধারা অনুযায়ী এর অংশ হিসাবে তারা ১টি সনদ ও একমাসের মূল বেতনের সম পরিমান বেতন প্রাপ্ত হবেন।

এরই প্রেক্ষিতে শুদ্ধাচার পুরষ্কৃত নির্বাচিত হওয়ার কারনে বিভিন্ন সংগঠন দলগত ভাবে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা কে শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠন করা হয়। পরে ১৯৯৬ সালের ৫ আগস্ট পার্বত্য জেলা পরিষদগুলো ভেঙে দিয়ে প্রত্যেক পরিষদে ১ জন চেয়ারম্যান এবং ৪ জন সদস্য মনোনয়ন দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করে সরকার। এরপর আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ অন্তর্র্বতীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর সদস্য সংখ্যা ৪ থেকে বাড়িয়ে ১৪ জনে উন্নীত করা হয়।