শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানে যক্ষা নিরোধ কমিটির মতবিনিময় সভা

৯৯

॥ আকাশ মারমা মংসিং,বান্দরবান ॥

বান্দরবানে যক্ষা নিরোধ কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ জুন) দুপুরে বান্দরবান জেলায় কর্মরত বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে নাফাখুম রেস্টুরেন্ট হল প্রাঙ্গণে যক্ষা নিরোধ কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বাংলাদেশ যক্ষা নিরোধ কমিটি বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি সিং ইয়ং ম্রো বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা, অংসুই প্রু মারমা, ডাক্তার আলমগীর হোসেন, সদর হাসপাতাল মেডিকেল কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নাটাবের কো-অডিনেটর মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, বান্দরবান জেলা যক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোমেন চৌধুরী সহ সরকারি বেসরকারি অফিসার ও গণমাধ্যম কর্মী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, যক্ষা একটি প্রাণঘাতীক রোগ,সাধারণত বদ্ধ, স্যাঁতস্যাঁতে, ঘনবসতিপূর্ণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝেই যক্ষা বা টিবি রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। যক্ষা বা টিবির জীবাণুর সংক্রামণ বৈশিষ্ট্যের কারণেই এমনটি হয়। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতার মাত্রা কম থাকায় এ রোগের বিভিন্ন লক্ষণ বা উপসর্গ ধাপকে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর সিংহভাগেরই তেমন ভালো কোনো ধারণা নেই।

বক্তারা আরো বলেন, মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবার কিউলোসিস নামের এক ধরনের জীবাণু থেকে এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত রোগীর কফ থেকে এ রোগের জীবাণু একজনের দেহ থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। এ রোগের কোন নির্দিষ্ট সুপ্ত কাল নেই। যেসব রোগী ৩ সপ্তাহের বেশি জ্বরে ভোগে তাদের ৩৩ শতাংশ যক্ষায় আক্রান্ত হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে। যাদের কাছ থেকে যক্ষা রোগ ছড়াতে পারে তাদের বলা হয় ওপেন কেস। এদের কফ থেকে সব সময় জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। তাই এদের সাথে চলাফেরা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।