শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদান

আলীকদমে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া ঘর নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই মাটি ভেঙ্গে পড়লো

১৪১

॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম ॥

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার দেওয়া দুর্যোগ সহনশীল গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য সরকারী বরাদ্দের ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ঘরের পিলার ও বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে গেছে।নিম্ম মানের কাজের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

উপকার ভোগী ইয়াছমিন আক্তার বলেন,প্রায় দুইমাস ধরে ঘরটি নির্মাণ কাজ চলছে। গত ১২ তারিখ পিলারটি ভেঙ্গে পড়ে এর আগে একবার ভেঙ্গেছে ও পিএলসহ নির্মাণাধীন ঘরের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। কিন্তু বিষয়টি তিনি দেখবেন বললেও তা এখন পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি। আজ পর্যন্ত কেউ তদারকি করতে আসে নি।

২নং চৈক্ষ্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান বলেন, বিষয়টি আমি জানতাম না,এটি ঠিক করে দেওয়া হবে। রাজমিস্ত্রিকে অনেক বকাঝকা করেছি এবং তাকে বাদ দিয়ে নতুন রাজমিস্ত্রি দিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া অংশসহ ঘরের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করা হবে। ভেঙ্গে যাওয়া পিলারসহ পিএল এতদিন ঠিক না করার কারণ ও নির্মাণাধীন ঘরগুলো তদারকি করা হয় কিনা এমন প্রশ্নে চেয়ারম্যান বলেন – নির্মাণাধীন অবশিষ্ট ঘর গুলো সঠিকভাবে তদারকি করা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তা মনঞ্জুর রহমান (অঃদাঃ) বলেন,কাজগুলো অফিস সহায়ক দেখাশুনা করেন। উক্ত স্থানে সরজমিনে গিয়ে দেখব কেন ভেঙ্গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সায়েদ ইকবাল জানান,পিলার ও বারান্দার পিএল ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়টি জানতাম না। যদি কাজ নিন্ম মানের হয় তা ভেঙ্গে পুনরায় করতে হবে ইউপি চেয়ারম্যানকে না হয় বিল দেওয়া হবে না।