শিরোনাম
খেলাধুলা সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করে: বি. জেনারেল সোহেলমাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপনজব্দ ড্রেজার মেশিন প্রশাসনের অফিস সহায়কের বাসায় কেন প্রশ্ন ব্যবসায়ীদেরহিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপিরাঙ্গামাটিতে অজগর সাপ উদ্ধার, পরে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্তরোয়াংছড়িতে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সরঞ্জাম হস্তান্তরএমএন লারমা স্বপ্ন দেখেছিলেন অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিমার্ণের, তা বাস্তবায়ন হোকগঠিত এসব কমিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সহ সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশাপার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতীয় কমিটিকে অভিনন্দন‘সাজু আপা’ নিজেই নির্যাতিত কিন্তু কোন নারী-শিশু নির্যাতন হতে দেখলেই ছুঁটে যান

বান্দরবানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত

১৫০

॥ আকাশ মার্মা মংসিং বান্দরবান ॥

করোনা মহামারিতে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বান্দরবানে পালিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা। প্রার্থনা আর ধর্মীয় মঙ্গল কর্ম সম্পাদন করছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা।

মঙ্গলবার (২৫ মে) সকাল থেকেই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মারমা, চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমী, ত্রিপুরা, লুসাই, বম, খিয়াং, চাকমা, চাক সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোরদের পদচারণয় মুখরিত হয়ে উঠেছে পাহাড়ের বিহারগুলো। ধর্মীয় প্রার্থনা, বৌদ্ধ ভিক্ষুদের (ভান্তে) খাবার, ছোয়াইং, চিবরদান, নগদ টাকা, গুরু ভক্তি, প্রদীপ প্রজ্বলনসহ বিভিন্ন ধরণের সামগ্রী দান করছেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ নারী-পুরুষরা ইহকাল ও পরকালের শান্তির জন্য বিভিন্ন উপসনালয়ে উপস্থিত থেকে প্রার্থনায় অংশ নেন। এসময় নারী-পুরুষ ভক্তরা বাতি প্রজ্জ্বলন, ধর্মীয় প্রার্থনা, ভান্তেদের খাবার প্রদানসহ নানা ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করেন।

বান্দরবানের রাজবিহার, কালাঘাটা গৌতম বৌদ্ধ বিহার, বালাঘাটা বৌদ্ধ বিহার, উজানীপাড়া বৌদ্ধ বিহারসহ বিভিন্ন বিহারে চলছে প্রার্থনা, গুরু ভক্তি, ছোওয়াইং প্রদান (ভান্তেদের খাবার দান), প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, বোধিবৃক্ষমূলে চন্দন জল প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- বান্দরবানের বোমাং রাজা উ চপ্রু, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্ল,পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মংক্যচিং চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, রাজপুত্র মংওয়ে প্রু, রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীসহ বিহারের দায়িক দায়িকাবৃন্দরা।

প্রতি বছর উৎসবমুখর পরিবেশে এ দিনটি উদযাপন করে থাকে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা। বান্দরবানের বৌদ্ধ বিহারগুলো সাজানো হয় বর্ণিল সাজে, শত শত ভক্তের পদচারণায় মুখরিত হয় দিনটি।

বুদ্ধ ধর্মমতে, আড়াই হাজার বছর আগে এদিনে মহামতি গৌতম বুদ্ধ জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। তার জন্ম, বোধিলাভ ও প্রয়াণ বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে একে ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’ বলা হয়।