শিরোনাম
কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুপাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বৃদ্ধার মৃত্যু, সতর্কতার জন্য মাইকিংশুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে জব্ধ করা জাল ও নৌকা ৮ জুলাই নিলামে উঠছেখাগড়াছড়িতে সাড়ে ১১ মাসের মাথায় শিশু ধর্ষণ ঘটনায় আসামীর মৃত্যুদন্ড

বরকল ইউএনও’র স্পীডবোটের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণের

১,৩৩০

॥ বরকল উপজেলা প্রতিনিধি ॥

বরকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মনজুরুল হকের স্পীডবোটের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ইঞ্জিনচালিত ছোট নৌকার এক যাত্রী পানিতে ডুবে মারা গেছে। নিহতের নাম শান্তিরঞ্জন চাকমা (৩৭)। তার বাড়ি সুবলং ইউনিয়নের শিলারধাক গ্রামে বলে জানা গেছে। রোববার দুপুরে বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়নের সুবলং ঝর্ণার পাশে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে- রোববার সকালে সুবলং ঝর্ণা এলাকা ও শিলারধাক গ্রাম পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলী। সেখান থেকে ফেরার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা ইঞ্জিনচালিত একটি ছোট নৌকার সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্পীডবোটটির ধাক্কা লাগে। এতে মাথায় ও কাঁেধ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পানিতে ডুবে মারা যান শান্তিরঞ্জন চাকমা। প্রত্যক্ষদর্শী সুবলং ঝর্ণার পর্যটন কেন্দ্র ও রেস্টুরেন্ট ব্যবস্থাপক নিরঞ্জয় চাকমা বলেন, নিহত শান্তিরঞ্জন চাকমা ও স্থানীয় বিমল চাকমা রোববার সুবলং থেকে ফিরছিলেন।

ফেরারপথে ইউএনও’র স্পীডবোটটির সঙ্গে তাদের ছোট নৌকাটির ধাক্কা লাগে। বিমল চাকমা পানিতে লাফ দিয়ে প্রাণে বাঁচলেও শান্তিরঞ্জন চাকমা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পানিতে ডুবে নিহত হন। তাঁর মাথায় আঘাত লেগেছে এবং ডানদিকের কাঁধ ভেঙ্গে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল রোববার বিকেলে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী জসিম উদ্দিন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বরকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মনজুরুল হক বলেন, সুবলং ঝর্ণাটি সচল রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পুর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সকালে সেখানে গিয়েছিলাম। ফেরার পথে এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটলো। আমাদের স্পীডবোটেও ছিদ্র হয়েছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় সেনাক্যাম্প কমান্ডার ও পুলিশের কাছ থেকে উদ্ধারকারী ডুবুরী দলের জন্য যোগাযোগ করি। কিন্তু তাদের ডুবুরী না থাকায় রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দলের সহায়তায় বিকেলে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরআগে মরদেহ উদ্ধারের জন্য স্থানীয় চেয়রম্যানের হাতে ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। দাহ ক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে। অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্খিত এ ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।