শিরোনাম
শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব থাকবে, দূর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়বো না: দীপন তালুকদারবান্দরবানের থানচিতে ল্যান্ডক্রইজার জীপ খাদে পড়ে নিহত ২, আহত ৫শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে প্রস্তুতিমূলক সভাবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিতদেশ গড়ায় শিশুর প্রথম শিক্ষক মা এবং সুরক্ষার হাতিয়ার খেলাধুলা: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রুকিশোর বাঘাইহাট সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ বিতরণকাপ্তাই উপজেলায় বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী ৪৪৯ জনে শনাক্ত ২৫, সুস্থ ২৪ জনহাতি সংরক্ষণে সরকার নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে: প্রধান বন সংরক্ষকবান্দরবানের থানচিতে দর্শনীয় বহু স্থানের ঐতিহ্যের নামগুলোর সঠিক ব্যবহার দরকার

নাইতং পাহাড়ে পাঁচতারকা হোটেল বাতিলে ১০ দিনের আল্টিমেটাম

পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে ম্রো জাতি গোষ্ঠির বান্দরবান শহরে অভিমুখে লং মার্চ

৬৪

॥ আকাশ মার্মা মংসিং, বান্দরবান ॥

বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়ে পাঁচ তারকা হোটেল ও বিনোদন পার্ক নির্মাণের প্রতিবাদে ম্রো-জাতিগোষ্ঠি প্রতিবাদসহ লং মার্চ করেছে। আয়োজিত লং মার্চ এ পুলিশ বাঁধা দিয়ে তাদের প্রতিবাদ ভুন্ডুল করার অভিযোগ করা হয়েছে। হোটেল ও বিনোদন পার্ক বন্ধ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে ম্রো জাতি গোষ্ঠির নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছে। প্রকল্প বাতিলে ১০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে চিম্বুক পাহাড়ে বসবাসরত ম্রো জাতিগোষ্ঠি।

এদিকে রবিবার সকালে লং মার্চ নিয়ে চিম্বুক থেকে বান্দরবান শহরে আসার পথিমধ্যে চিম্বুক সড়কের বৈথানি পাড়াস্থ ছয় মাইল এলাকায় পৌছলে হাজারো প্রতিবাদকারীদের পুলিশ বেরিকেড দেয়। এসময় উত্তেজিতরা বাঁধা উপেক্ষা করে বান্দরবান শহর অভিমুখে যেতে চাইলে ব্যারিকেডে থাকা সদর থানার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের হাতাহাতি হয়। এর পর ব্যারিকেড ভেঙে তারা শহরের দিকেই রওনা দেন।

 

প্রতিবাদী ইয়াঙন ম্রো জানান, আদিবাসীদের উচ্ছেদ করে পাহাড়ে হোটেল নির্মাণের প্রতিবাদে শহরে তাদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছিল না। এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এলাকায়। প্রশাসনের কাছ থেকে পাহাড়ে হোটেল নির্মাণ বন্ধের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। দীর্ঘ ২২ কিলোমিটার লংমার্চ করে এসে তারা বান্দরবান জেলা শহরের রাজার মাঠে অবস্থান নেন এবং সেখানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৌসিফ আহমেদ জানান, অনুষ্ঠেয় বান্দরবান পৌরসভার নির্বাচনকে ঘিরে এমনিতেই তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন। নির্বাচনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে আন্দোলনকারীদের শহরে প্রবেশে নিষেধ করা হয়েছিল।