শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

দীঘিনালায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসক

১৬

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
চট্টগ্রামের দ্বিতীয় চাকতাই খাতুনগঞ্জের পর পাইকারী বাজার খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী নতুন বাজারে আগ্নিকন্ডে ৩৫টি বেশি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক ও খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দুঃখ-দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। সেনাবাহিনী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একই দিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি। উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোররাতে দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। এতে বাজারের ৩৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং ব্যবসায়ীদের ৫কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে, তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা আবারও স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা কার্যক্রম শুরু করতে পারেন।

এদিকে, জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।