শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

বান্দরবানের থানচিতে সাড়ে তিন বছর পরে ফিরল আরো এক বম পরিবার

৭

|| চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ||
সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকের ডাকাতি ঘটনায় কেএনএফের আতঙ্কে ভয়ে পালিয়ে যাওয়া বম জনগোষ্ঠীর মিজোরাম থেকে সাড়ে তিন বছরে পরে বান্দরবানের থানচিতে দুর্গম সীমান্তের প্রাতা পাড়ায় ৫ সদস্যদের এক পরিবার নিজ বসতবাড়িতে ফিরেছেন।

জানা গেছে, বিগত ২০২২ সালে কেএনএফ আতঙ্কে পালিয়ে নিজ বসতবাড়ি ছেড়ে মিজোরামে আশ্রয় নেয় তারা। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরে পরে বান্দরবানে ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড এর অধীনস্থ ১৬ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সহায়তায় প্রাতা পাড়ায় ফিরে আসেন ৫ সদস্যের লালমুন খুপ বম (৫৫) এর পরিবার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, থানচির দুর্গম এলাকায় প্রাতা পাড়ায় বম জনগোষ্ঠীর এক পরিবার ফিরেছেন। তারা রাঙ্গামাটি হয়ে বান্দরবানে এবং গত ৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেল বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পে এসে পৌছায়। বাকলাই পাড়া সেনাবাহিনীর তাদের প্রস্তুতকৃত সুস্বাদু খাবারসহ চিকিৎসা, শুকনা রসদ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর পরে বম জনগোষ্ঠীর ৫ জন সদস্যসহ এক পরিবারের নিজ বসতবাড়িতে ফিরেছেন।

এদিকে সাড়ে তিন বছরে পরে ফিরে আসার পরিবারের প্রধান লালমুন খুপ বম (৫৫) বলেন, ২০২২ সালে কেএনএফের আতঙ্কে তাদের ভয়ে সবাই জীবন রক্ষার্থে পালিয়ে যায়। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় নিজ বসতবাড়িতে বহু পরিবার ফিরেছে তা খবর পেয়ে পরিবারকে নিয়ে আমিও ফিরে আসছি। নিজ বসতবাড়িতে ফিরতে পেরে খুবই আনন্দিত ও খুশি।

১৬ ইষ্ট বেঙ্গলে বাকলাই পাড়া ক্যাম্পের সাবজোন কমান্ডার মেজর আসিফ জুবায়ের জানান, বম জনগোষ্ঠীর তাদের প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা সুবিধাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা সচেষ্ট ছিল, আছে এবং থাকবে। এছাড়াও পাড়ার শিশু ও কিশোর কিশোরীদের নিয়মিত স্কুলে যাওয়া এবং লেখাপড়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে।