শিরোনাম
সেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

লংগদুতে আবারো পানিবন্দি শতাধিক পরিবার

১১

॥ লংগদু উপজেলা প্রতিনিধি ॥
ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড় থেকে নেমে আসা উজানের ঢলে দ্বিতীয় ধাপে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় বন্যায় প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার। বানভাসিদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে তৎপর উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলার বগাচতর, ভাসান্যদম, গুলশাখালী, মাইনী, কালাপাকুজ্জা, লংগদু সদর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘরবাড়ি ছেড়েছেন দুই শতাধিক পরিবার, এর মধ্যে শতাধিক পরিবার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন। গত জুলাই মাসেও প্রথম ধাপে বন্যায় প্লাবিত হয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো হাজরো পরিবার। এদিকে কাপ্তাই বাঁধের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তে ক্ষোভ বানভাসিদের। তারা বলছেন, আজ প্রায় তিন মাস যাবত পানি আসা যাও তাদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে। পানি অল্প কমে গেলে বাড়ি ফেরা আবার পানি বাড়লে আশ্রয় কেন্দ্রে আসা এধরণের হয়রানি থেকে মুক্তি চায় তারা।

লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বানভাসীদের জন্য ইতিমধ্যে ১৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং দ্রুত সময়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানো হবে। তবে বিপাকে পড়েছে পশু পালনকারী খামারিরা।

সচেতন মহল ও স্থানীয়রা বলছেন পরিকল্পিত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাপ্তাই লেকে জরিপ করে পানির লেয়ার নির্ধারণ করা উচিত। তাহলে হয়তো প্রতিবছর এ ধরণের প্রাকৃতিক বন্যা থেকে রেহাই পাবে সাধারণ মানুষ।