শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচারের চর্চা করতে হবে

৮

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
রাঙ্গামাটি’র জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রত্যেক সরকারী-বেসরকারী দপ্তরকে তাদের সেবা জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-টিআইবি, রাঙ্গামটি এর আয়োজনে “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সনাক রাঙ্গামাটির সভাপতি প্রফেসর বাঞ্ছিতা চাকমা এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের সমন্বয়কারী কাজী শফিকুর রহমান। কর্মশালায় টিআইবি’র সমন্বয়কারী কাজী শফিকুর রহমান তার উপস্থাপনায় সুশাসন ও এর উপাদান, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের প্রধান টুলস, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রাসমূহ, এসডিজি অর্জনে সুশাসনের গুরুত¦, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টসমূহ অর্জনে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন এর অন্তরায় ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়াও তিনি এসডিজি বাস্তবায়নে সরকার গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ নুর উজ জমান, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুছ ভুঁইয়া প্রমুখ।

তিনি বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। কর্মশালা পরবর্তীতে সকল দপ্তরসমূহকে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে কর্মপরিকল্পনা তৈরীর আহবান জানান। আমাদের সকলকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করাই হচ্ছে দেশপ্রেম। তিনি এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কর্মশালায় এসডিজি’র অভীষ্ট-১৬ এর সাথে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সততা ও শুদ্ধাচার চর্চার আবশ্যকতাকে সম্পৃক্ত করে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান একটি বার্ষিক কর্ম-পরিকল্পনা প্রস্তুত করেন- যা এসডিজি বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সততা ও শুদ্ধাচার চর্চার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে ধারণা অর্জন; এসডিজি বাস্তবায়নের অন্তরায় বিষয়ে ধারণা বৃদ্ধি এবং এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে অংশগ্রহণকারীবৃন্দ মনে করেন। কর্মশালার সভাপতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও প্রাতিষ্টানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকতার সহিত কাজ করার অনুরোধ করেন। কর্মশালায় জেলা পর্যায়ের ৭৪ টি সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ, ইয়েস সদস্য ও এসিজি সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।