শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণাকাপ্তাই নতুন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানরোয়াংছড়িতে অভিভাবকদের নিয়ে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিতকাপ্তাইয়ে ট্রাকের বাঁশের সাথে বৈদ্যুতিক তার আটকে ট্রন্সফরমার ক্ষতিগ্রস্তমাটিরাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হলো বিজয়ীরালংগদুতে ইউএনও এর জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপে সুফল পাচ্ছেন মানুষ

কাপ্তাই পিতার অভিযোগে বাল্যবিবাহ বন্ধ মুচলেখা সহ জরিমানা দিলেন ‘মা’

১৫

॥ কাপ্তাই উপজেলা প্রতিনিধি ॥
মা নয় এবার পিতাই নিজের মেয়ের বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দিয়েছেন। যেখানে মা-ই মেয়েকে এই অভিশাপ থেকে বাঁচাবে সেখানে বাবাই এগিয়েছেন মেয়েকে সেই অভিশাপ থেকে বাঁচাতে। শুক্রবার (১৫আগষ্ট) বিকালে কাপ্তাই উপজেলার মুরগিটিলা নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড মুরগির টিলা নামক এলাকার বাসিন্দা মোঃ রানা স্ত্রী রুবি বেগম (৪৪) সহ সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন। তার স্ত্রী টাকার লোভে ওমান প্রবাসী মানিক নামক এক ছেলের সাথে মোবাইলে বিবাহ দেয়ার জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি নেয়। মেয়ের হাতে মেহেদীও পড়ানো হয়। কিন্তু বিবাহ বন্ধনে বাঁধসাধে রুবি বেগমের স্বামী মোঃ রানা। তিনি কোন অবস্থাতেই অপ্রাপ্ত বয়সে মেয়েকে বিবাহ দিতে রাজি নন। তাই রুবির স্বামী স্ত্রীর বিরুদ্ধে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাপ্তাই থানা সহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বিবাহ বন্ধ করার আহ্বান করেন।

এদিকে মোঃ রানা এর অভিযোগের আলোকে নির্বাহী অফিসার নেলী রুদ্র ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পায়। মেয়ের মা স্বীকার করে যে তিনি মেয়ের বিবাহর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে দুই কর্মকর্তাকে উপস্থিত দেখেই এখন আর বিবাহ দিবেন না বলে জানান। এসময় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মেয়ের মা, ভাই, বোন এর নিকট হতে মুচলেখা সহ ৫হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। মেয়ের বয়স ১৮পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দেয়া যাবেনা বলে জানান।

উল্লেখ্য যে, স্ত্রী রুবি বেগম (৪৪) এর প্রথম স্বামী মারা যান পরে তাঁর সাথে মোঃ রানা এর বিয়ে হয়। মেয়েটি আগের ঘরের সন্তান রানা সৎ বাবা হলেও মেয়েকে খুব ভালোবাসেন। তিনি অপ্রাপ্ত বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিতে নারাজ হলে স্ত্রী তা মানছিলেন না পরে তিনি বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়ে বিবাহ বন্ধ করতে সক্ষম হন। উক্ত ঘটনায় এলাকায় প্রশংসা কুড়াচ্ছেন সৎ বাবা মোঃ রানা।