শিরোনাম
বান্দরবনের লামায় পাহাড়ধসে শিশু সহ ৫ জনের মৃত্যুখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পানির ঢলে যৌথ এক পরিবারের ২টি ঘর নদীগর্ভেইউএনও’র পরিদর্শন কাপ্তাইয়ে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০৫জন আশ্রয় নিয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুরাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণ

কাপ্তাই পিতার অভিযোগে বাল্যবিবাহ বন্ধ মুচলেখা সহ জরিমানা দিলেন ‘মা’

১৫

॥ কাপ্তাই উপজেলা প্রতিনিধি ॥
মা নয় এবার পিতাই নিজের মেয়ের বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দিয়েছেন। যেখানে মা-ই মেয়েকে এই অভিশাপ থেকে বাঁচাবে সেখানে বাবাই এগিয়েছেন মেয়েকে সেই অভিশাপ থেকে বাঁচাতে। শুক্রবার (১৫আগষ্ট) বিকালে কাপ্তাই উপজেলার মুরগিটিলা নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড মুরগির টিলা নামক এলাকার বাসিন্দা মোঃ রানা স্ত্রী রুবি বেগম (৪৪) সহ সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন। তার স্ত্রী টাকার লোভে ওমান প্রবাসী মানিক নামক এক ছেলের সাথে মোবাইলে বিবাহ দেয়ার জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি নেয়। মেয়ের হাতে মেহেদীও পড়ানো হয়। কিন্তু বিবাহ বন্ধনে বাঁধসাধে রুবি বেগমের স্বামী মোঃ রানা। তিনি কোন অবস্থাতেই অপ্রাপ্ত বয়সে মেয়েকে বিবাহ দিতে রাজি নন। তাই রুবির স্বামী স্ত্রীর বিরুদ্ধে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাপ্তাই থানা সহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বিবাহ বন্ধ করার আহ্বান করেন।

এদিকে মোঃ রানা এর অভিযোগের আলোকে নির্বাহী অফিসার নেলী রুদ্র ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পায়। মেয়ের মা স্বীকার করে যে তিনি মেয়ের বিবাহর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে দুই কর্মকর্তাকে উপস্থিত দেখেই এখন আর বিবাহ দিবেন না বলে জানান। এসময় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মেয়ের মা, ভাই, বোন এর নিকট হতে মুচলেখা সহ ৫হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। মেয়ের বয়স ১৮পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দেয়া যাবেনা বলে জানান।

উল্লেখ্য যে, স্ত্রী রুবি বেগম (৪৪) এর প্রথম স্বামী মারা যান পরে তাঁর সাথে মোঃ রানা এর বিয়ে হয়। মেয়েটি আগের ঘরের সন্তান রানা সৎ বাবা হলেও মেয়েকে খুব ভালোবাসেন। তিনি অপ্রাপ্ত বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিতে নারাজ হলে স্ত্রী তা মানছিলেন না পরে তিনি বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়ে বিবাহ বন্ধ করতে সক্ষম হন। উক্ত ঘটনায় এলাকায় প্রশংসা কুড়াচ্ছেন সৎ বাবা মোঃ রানা।