শিরোনাম
বান্দরবনের থানচিতে হামের সঙ্গে ডায়রিয়ার প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সীমান্তের মানুষওমাটিরাঙ্গায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ি লিচুর মৌ মৌ গন্ধে মুখর বাজার এলাকাচুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে চুক্তি সম্পাদনকারী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটিতে দীপন তালুকদার দীপুকে-ই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় বিএনপি পরিবারের অনেকেখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির লাশ উদ্ধারখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারকাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবিদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণরাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে আগুনে পুড়ে ছাই অংথইউ খিয়াং এর ঘরবাবার ক্যান্সারে ও স্ত্রী প্যারালাইসিসে আক্রান্ত অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবার

অবশেষে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার শুরু অর্থনীতির চাকাও ঘুরবে

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
মাছের প্রজনন সময় ও কার্প জাতীয় মাছ অবমুক্ত করার কারনে কাপ্তাই হ্রদে দীর্ঘ তিন মাস সকল প্রকার মাছ শিকার বন্ধ রাখার পর অবশেষে তা উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবছরের মত মাছের প্রজনন সময় এবং কার্পজাতীয় মাছ অবমুক্ত ও তা বেড়ে উঠার সমকে কেন্দ্র মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস হ্রদে মাছ শিকার বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের দেয়া পূর্ব আদেশ এর নির্দিষ্ট সময় পরিপূর্ণ হওয়ায় এ আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে প্রশাসন সুত্র জানিয়েছে।

এদিকে হ্রদে মাছ শিকার এর সময় সীমা কাছাকাছি আসায় গত এক সপ্তাহ ধরেই জেলেদের মাঝে আর্থিক সংকট মোছনের যেন তাগাদাও বেড়ে গেছে। হ্রদে মাছ শিকারের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সরঞ্জামগুলো ইতিমধ্যেই যে যার মতো করেই প্রস্তুতি নিয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং মাছ সরবরাহকারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়েছে। শনিবার (২আগষ্ট) মধ্যরাত থেকে মাছ শিকার করা যাবে প্রশাসনের এমন আদেশ পেয়ে জাল সহ অন্যান্য সকল প্রকার প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র সঙ্গে দিয়ে তাদের অধীন জেলেদের বুঝিয়ে দিয়েছে।

অপর দিকে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন সুত্র জানেিয়ছে, মাছ শিকার বন্ধ থাকাকালীন সময় হ্রদে কার্প জাতয়ি মাছ অবমুক্ত করা হয়েচিল ৬০ মেট্রিক টন মাছ। যা এ তিন মাসের মধ্যে এসব মাছও আকার এবং ওজনে বৃদ্ধি হয়েছে। সুত্র জানায়, গত ১মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার বন্ধা রাখা হয়। এ হ্রদেও উপর নির্ভর প্রায় ২৬ হাজার জেলে। ইতিমধ্যে হ্রদের পানিও যথেষ্ট পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার কারনে জেলে ও ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রানচাঞ্চল্যও ফিরে এসেছে। সেই সাথে সকলের অর্থনৈতিক চাকাও ঘুরবে ধীরে ধীরে কেটে যাবে অর্থনৈতিক মন্দাভাব।