শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানের থানচিতে গ্রামীণ সড়ক হলেও সেতুর অভাবে ১২০ পরিবার

১৮

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
একসময় দুর্গম আর কাঁদামাটি পথ দিয়ে যেখানে যাতায়াত ছিল নিত্যদিনের সংগ্রাম, সেখানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বান্দরবানের থানচির মেকহা পাড়া, মায়ারাম পাড়া আর হানারাম পাড়া এই তিন পাহাড়ি গ্রামের জন্য একটি গ্রামীন সড়কের সুবাদে বদলে যাচ্ছে চিত্র। এসব গ্রামের উন্নয়নে গ্রামীন সড়ক করলেও সেখানের কৌউক্ষ্যং ঝিড়িতে প্রয়োজন দ্রুত একটি সেতু। গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের কাজ হলেও সেতুর অভাবে তিন গ্রামের ১২০ পরিবারের ভোগান্তি বাড়বে। সড়ক থকালেও সেতু না থাকায় বর্ষা মৌসুম এলেই ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

গ্রামের বাসিন্দারা বলেছেন, আগে তো কোনো রাস্তাই ছিল না। এখন রাস্তা হয়েছে, ভালো হয়েছে। কিন্তু বর্ষায় এই ঝিরি পার হওয়া যায় না। একটা সেতু হলে সারা বছর সুবিধা হতো। আমাদের প্রাণের দাবি, এই ঝিরিতে একটা সেতু নির্মাণ করা হোক, তবেই এই সড়কের সুফল বর্ষা মৌসুমসহ সারাবছর আমরা পাবো। গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমসহ সারাবছর যেন সবধরনের সুবিধা ও যোগাযোগ স্থাপন করতে কৌউক্ষ্যং ঝিড়ির উপর দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে শিক্ষার্থীরা বলেছেন, কৌউক্ষ্যং ঝিরিতে শুষ্ক মৌসুমে সহজে যাতায়াত করা যায়, তবে বর্ষায় হয়ে ওঠে এ ঝিড়ির ভয়ংকর রূপ। পানির প্রবল স্রোতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে তিন গ্রামের যোগাযোগ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হয়, জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা সদরে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষকরা, তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

সম্প্রতি ওই তিন পাড়ার প্রধান কারবারিদের সঙ্গে কথা হয়, তারা বলেছেন প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে মানুষ চলাচল করেন। কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সদর উপজেলার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। শুকনো মৌসুমে সুবিধা হলেও, বর্ষা মৌসুম এলেই দেখা দেয় চরম দুর্ভোগ। পাহাড়ি পানির ঢলে কৌউহক্ষ্যং ঝিড়িতে সাঙ্গু নদীর পানি বেড়ে যায়, তাতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এই তিন গ্রামের ১২০ পরিবার। তাই সরকারের নিকট একটাই দাবি সেতু কিংবা কালর্ভাট নির্মাণ করা হোক।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধান সড়ক হতে চেইনেজ ১৭৭০ মিটার দীর্ঘ সড়কটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি টাকার চুক্তিমূল্যে কার্পেটিং এই সড়কটি বাস্তবায়ন করছে এম এম ট্রেডার্স।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোঃ আবু হানিফের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মেকহা বা রর্বাট পাড়ার সড়কে একটি ব্রীজ এর চাহিদা রয়েছে তবে ওখানের কৌউহক্ষ্যং ঝিড়িতে সেতু নির্মাণে গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি। এটি প্রকল্পের আওতায় নেয়া হয়েছে। তবে কাজ শুরু করতে সময় লাগবে।