শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ

১০

॥ মোহাম্মদ আলী ॥
রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবিক্ষন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্ন্তবর্তী কালিন সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর এই প্রথম পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্য বৈঠক করেছে। শনিবার (১৮জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ভেদভেদীস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয় বোর্ড রেস্ট হাইজের কনফারেন্স রুমে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন , পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লরমা ওরফে সন্তু লারমা ও আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য গৌতম কুমার চাকমা ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা এবং, পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব কংকন চাকমা, উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের নিকট বৈঠকের সার সক্ষেপ তুলে ধরে বলেছেন আজকের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানের প্রথম বিষয় হলো সমস্যাযে আছে সেটা স্বীকার করে নেওয়া। এই সময়ে তিনি বলেছেন আমরা চেষ্ঠা করেছি চুক্তির ছোট বিষয়গুলো চিহ্নিত করতে যাতে সহজে সমাধান করা যায়। এই সভার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছুই শিখেছি। আর বড় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছি।

কি কি সমস্যার কারণে চুক্তি বাস্তবায়ন বিলম্ব হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সমস্যা চিহ্নিত করার কোনো প্রয়োজন নাই আমরা সকলেই জানি অত্রাঞ্চলে কি কি সমস্যা বিরাজমান আছে। সুতরাং সমস্যাগুলো কিভাবে সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আমরা সকলেই আস্থা অর্জনের চেষ্ঠা করছি।

এই বিষয়ে চুক্তি সম্পাদনকারি জেএসএস এর সভাপতি সন্তু লারমাকে প্রশ্ন করা হয়ে তিনিও সৌহার্দ পূর্ণ ভাবে আলোচনা হয়েছে বলে বলেছেন। এর বাইরে তারা কেউ মুখ খোলেনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত অব সুপ্রদীপ চাকমা পরিবীক্ষণ কমিটির দশম সভায় তার বক্তব্যে বলেন, এই সভা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বর্পণ পদক্ষেপ। বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে যে, যদি সকল পক্ষ সম্মিলিতভাবে চুক্তির বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করে তাহলে পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ব্যাপী রুদ্ধদ্বার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।