শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

আর পিছিয়ে থাকতে চাই না, দেশের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত হতে চাই; পার্বত্য উপদেষ্টা

১৪

॥ মোহাম্মদ আলী ॥
বিশাল কাপ্তাই হ্রদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে এই লেক অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার (১৮জুলাই) বিকেলে রাঙ্গামাটিতে লেক নিয়ে সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা মতবিনিময় করেন।

দুই উপদেষ্টা রাঙ্গামাটির বার্গী লেইক ভ্যালীতে এই কথা বলেছেন। তারা বার্গী লেইক ভ্যালী থেকে শুভলং ঝর্ণা, শুভলং বাজার হয়ে রাঙ্গামাটি শহরের স্টেডিয়াম ঘাট পর্যন্ত স্পীড বোটে চড়ে কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য পরিদর্শন করেন। এই সময়ে তাঁদের সহধর্মিণী, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কংকন চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক, মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারুফ, পুলিশ সুপার ডঃ এস এম ফরহাদ হোসেন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সৌন্দর্য হলো পাহাড় ও কাপ্তাই লেক। এই লেক পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। কাপ্তাই লেককে মৎস্য চাষের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তীরবর্তী জনগণ এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত অব সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধের কারণে পার্বত্য এলাকার জনগণের যে ক্ষতি হয়েছে, তা ভুলে গিয়ে আমাদের অপার সম্ভাবনাময় কাপ্তাই লেককে কাজে লাগাতে হবে। এই লেক স্বর্ণের মতো মূল্যবান সম্পদ, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, সরকার সকল সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রীতির বন্ধনে পাহাড়ি-বাঙালি এক হয়ে আত্ম-মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা জানান, বর্তমান সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের জন্য সকল দরজা খুলে দিয়েছে। পাহাড়ি জনগণ কৃষি বিভাগের উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে, যা পরিবর্তন করতে হবে। আমরা আর পিছিয়ে থাকতে চাই না, দেশের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত হতে চাই।