শিরোনাম
খেলাধুলা সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করে: বি. জেনারেল সোহেলমাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপনজব্দ ড্রেজার মেশিন প্রশাসনের অফিস সহায়কের বাসায় কেন প্রশ্ন ব্যবসায়ীদেরহিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপিরাঙ্গামাটিতে অজগর সাপ উদ্ধার, পরে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্তরোয়াংছড়িতে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সরঞ্জাম হস্তান্তরএমএন লারমা স্বপ্ন দেখেছিলেন অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিমার্ণের, তা বাস্তবায়ন হোকগঠিত এসব কমিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সহ সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশাপার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতীয় কমিটিকে অভিনন্দন‘সাজু আপা’ নিজেই নির্যাতিত কিন্তু কোন নারী-শিশু নির্যাতন হতে দেখলেই ছুঁটে যান

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত-১

১৩

॥ মু. মুবিনুল হক মুবিন, নাইক্ষ্যংছড়ি ॥
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দৌছড়ির ইউনিয়নের দূর্গম পাহাড়ি জনপদ কোলাচিপাড়া লেমুতলী গ্রামের মৃত আব্দু শুক্কুরের ছেলে মিজানুর রহমানকে কূপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকাল ৪ টায় ৫ নং ওয়ার্ড কোলাচি পাড়া লেমুতলী দোকানের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের মা, ভাই মোহাম্মদ আলম ও স্থানীয়রা জানান, গত ২২ জুন রবিবার লেম্বুছড়ি বিজিবি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লেমুতলী থেকে ৮ টি অস্ত্র উদ্ধার করে। ঐ অস্ত্র উদ্ধারের সংবাদদাতা তিনি তাই মনে করে লেমুতলী দোকান থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ডাকাত শাহিনের শিষ্য একই এলাকার সন্ত্রাসী আলী আকবর এর নির্দেশনায় স্থানীয় আবুল শামার ছেলে রশিদ আহমদ (৩২) ও আবুল কালামের ছেলে জসিম উদ্দীন (৩০) অজ্ঞাত ১০/১২ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র, কিরিচ দা, লোহার রট দিয়ে মাথা ও সমস্ত শরীরে আঘাত করে।

চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। একই রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোর ৪ টায় তিনি মারা যান। তার স্ত্রী সহ দুই সন্তান রয়েছে।

এদিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মা, ভাই ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও হত্যাকারির চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির জোর দাবী জানান।

স্থানীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে এ প্রতিবেদকে জানান, আলী আকবর দীর্ঘদিন যাবত মায়ানমার সীমান্তে চোরাকারবারি,ও বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত, অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ইনচার্জ মাসরুরুল হক ঘটনা নিশ্চিত করেন, ঘটনা শোনামাত্র পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।