শিরোনাম
কাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু, বিজিবি’র সদস্য আহতবান্দরবানের লামায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার এলজিইডি’র সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাপক অনিয়মে ?দুর্গম পাহাড়ে বঞ্চিত বহু মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাটিরাঙ্গা সেনা জোনবাঘাইছড়িতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ প্রদানবান্দরবানের লামায় কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগরাঙ্গামাটিতে দূর্গাপ্রতিমা বিসর্জন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ভক্ত অনুরাগীদের অশ্রুনয়নেকাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করে দেওয়া হোক

মাটিরাঙ্গায় বিজিবি জব্দ করলো প্রায় ১৬লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি

১২

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
সরকারি ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে নিয়ে আসা ১৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি ও ২৬৫ পিস টি-শার্ট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি‘র খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (পলাশপুর জোন)। রবিবার (১৫জুন) রাত সাড়ে ১২ টার সময় মাটিরাঙ্গার বেলছড়ি ইউনিয়নের নিউ অযোধ্যা রাবার বাগান এলাকা থেকে এসব ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।

বিজিবি সুত্রে জানা যায়, সরকারী ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত পথে ভারতীয় শাড়ী আনা হচ্ছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের আওতাধীন অযোধ্যা বিওপি হতে আনুমানিক ১.৫ কি. মি. উত্তরে নিউ অযোধ্যা রাবার বাগান নামক স্থানে অভিযান চালায় বিজিবি।

বিজিবির টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। এসময় বিজিবি টহল দল রাবার বাগানে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাভর্তি ১৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি ও ২৬৫ পিস টি-শার্ট উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় শাড়ী ও টি-শার্টের আনুমানিক বাজার মুল্য ১৫ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮’শ টাকা।

এ বিষয়ে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের (৪০ বিজিবি) জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মুহা: শাহীনূল ইসলাম বলেন, জব্দকৃত ভারতীয় শাড়ী ও টি-শার্ট সিজার পরবর্তী কাস্টমসে হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মুহা: শাহীনূল ইসলাম বলেন, সীমান্তের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় যে কোন ধরনের অবৈধ কাজ ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি’র সদস্যরা সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে সদা প্রস্তুত আছে এবং থাকবে।