শিরোনাম
সেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

মাটিরাঙ্গায় বিজিবি জব্দ করলো প্রায় ১৬লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি

১২

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
সরকারি ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে নিয়ে আসা ১৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি ও ২৬৫ পিস টি-শার্ট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি‘র খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (পলাশপুর জোন)। রবিবার (১৫জুন) রাত সাড়ে ১২ টার সময় মাটিরাঙ্গার বেলছড়ি ইউনিয়নের নিউ অযোধ্যা রাবার বাগান এলাকা থেকে এসব ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।

বিজিবি সুত্রে জানা যায়, সরকারী ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত পথে ভারতীয় শাড়ী আনা হচ্ছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের আওতাধীন অযোধ্যা বিওপি হতে আনুমানিক ১.৫ কি. মি. উত্তরে নিউ অযোধ্যা রাবার বাগান নামক স্থানে অভিযান চালায় বিজিবি।

বিজিবির টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। এসময় বিজিবি টহল দল রাবার বাগানে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাভর্তি ১৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি ও ২৬৫ পিস টি-শার্ট উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় শাড়ী ও টি-শার্টের আনুমানিক বাজার মুল্য ১৫ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮’শ টাকা।

এ বিষয়ে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের (৪০ বিজিবি) জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মুহা: শাহীনূল ইসলাম বলেন, জব্দকৃত ভারতীয় শাড়ী ও টি-শার্ট সিজার পরবর্তী কাস্টমসে হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মুহা: শাহীনূল ইসলাম বলেন, সীমান্তের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় যে কোন ধরনের অবৈধ কাজ ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি’র সদস্যরা সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে সদা প্রস্তুত আছে এবং থাকবে।