শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

মাটিরাঙ্গায় বিজিবি জব্দ করলো প্রায় ১৬লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি

১০

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
সরকারি ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে নিয়ে আসা ১৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি ও ২৬৫ পিস টি-শার্ট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি‘র খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (পলাশপুর জোন)। রবিবার (১৫জুন) রাত সাড়ে ১২ টার সময় মাটিরাঙ্গার বেলছড়ি ইউনিয়নের নিউ অযোধ্যা রাবার বাগান এলাকা থেকে এসব ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।

বিজিবি সুত্রে জানা যায়, সরকারী ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত পথে ভারতীয় শাড়ী আনা হচ্ছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের আওতাধীন অযোধ্যা বিওপি হতে আনুমানিক ১.৫ কি. মি. উত্তরে নিউ অযোধ্যা রাবার বাগান নামক স্থানে অভিযান চালায় বিজিবি।

বিজিবির টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। এসময় বিজিবি টহল দল রাবার বাগানে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাভর্তি ১৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি ও ২৬৫ পিস টি-শার্ট উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় শাড়ী ও টি-শার্টের আনুমানিক বাজার মুল্য ১৫ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮’শ টাকা।

এ বিষয়ে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের (৪০ বিজিবি) জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মুহা: শাহীনূল ইসলাম বলেন, জব্দকৃত ভারতীয় শাড়ী ও টি-শার্ট সিজার পরবর্তী কাস্টমসে হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মুহা: শাহীনূল ইসলাম বলেন, সীমান্তের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় যে কোন ধরনের অবৈধ কাজ ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি’র সদস্যরা সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে সদা প্রস্তুত আছে এবং থাকবে।