শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পানির ঢলে যৌথ এক পরিবারের ২টি ঘর নদীগর্ভেইউএনও’র পরিদর্শন কাপ্তাইয়ে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০৫জন আশ্রয় নিয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুরাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধস ও নদীর স্রোতে নিখোঁজদের ১ জনের লাশ উদ্ধার

১৬

॥ লক্ষীছড়ি প্রতিনিধি:
টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড় ধস ও নদীর পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে দুজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ মে) সকালে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বিজয় কার্বারী পাড়ার ধরুং খালে মাছ ধরতে গিয়ে পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যান উক্রাচিং মারমা (১৭)। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মাইনি নদীতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে তরতিৎ চাকমা (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নদীর পানির স্রোতে ভেসে যান। এখনও পর্যন্ত তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান চলছে।

খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল গণমাধ্যমকে জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢল ও নদীর স্রোত বেড়ে যাওয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এদিকে টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ি শহর ও আশপাশের এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে শুক্রবার (৩০ মে) সকাল থেকে জেলা প্রশাসন কার্যক্রম শুরু করে।

শালবনসহ শহরের বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে তৎপর রয়েছে প্রশাসন। মাঠ পর্যায়ে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং যুব রেডক্রিসেন্ট সদস্যরা। লক্ষ্মীছড়িতে নিহত উক্রাচিং মারমার পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেটু কুমার বড়ুয়া।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানে থাকার এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধস ও নদীর স্রোতে নিখোঁজদের ১ জনের লাশ উদ্ধার
॥ রমজান আলী জিসান, লক্ষীছড়ি প্রতিনিধি:

টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড় ধস ও নদীর পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে দুজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ মে) সকালে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বিজয় কার্বারী পাড়ার ধরুং খালে মাছ ধরতে গিয়ে পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যান উক্রাচিং মারমা (১৭)। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মাইনি নদীতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে তরতিৎ চাকমা (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নদীর পানির স্রোতে ভেসে যান। এখনও পর্যন্ত তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান চলছে।

খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল গণমাধ্যমকে জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢল ও নদীর স্রোত বেড়ে যাওয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এদিকে টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ি শহর ও আশপাশের এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে শুক্রবার (৩০ মে) সকাল থেকে জেলা প্রশাসন কার্যক্রম শুরু করে।

শালবনসহ শহরের বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে তৎপর রয়েছে প্রশাসন। মাঠ পর্যায়ে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং যুব রেডক্রিসেন্ট সদস্যরা। লক্ষ্মীছড়িতে নিহত উক্রাচিং মারমার পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেটু কুমার বড়ুয়া।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানে থাকার এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।