শিরোনাম
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদক-অবৈধ অস্ত্র, আমরা সুন্দর এবং সুস্থ পরিবেশ চাইমানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চাই, কাপ্তাইয়ে গণসংবর্ধনায় দীপন তালুকদারসপ্তপূর্ণা’র স্বপ্ন পূরনে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে অগ্নিকান্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাইবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা সহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতারকাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট আবারো ৬ইঞ্চি খুলে দেয়া হয়েছেসুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান

বাঘাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দিলো জামায়াত

॥ ইব্রাহীম, বাঘাইছড়ি ॥
বাঘাইছড়ি পৌরসভার বৃহত্তর মুসলিম ব্লক বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ ও ঢেউ টিন বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকাল ৫ ঘটিকায় মুসলিম ব্লক বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাঘাইছড়ি শাখার পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়।

বাঘাইছড়ি উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কবির আহমেদ এর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল আলীম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ২৯৯ নং রাঙ্গামাটি আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহমদ, রাঙ্গামাটি জেলা নায়েবী আমীর মাওলানা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

এসময় জেলা শিবির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম সাফি, জেলা মজলিস শুরা সদস্য ও রাঙ্গামাটি পৌর জামায়াত এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট রহমত উল্লাহ, বাঘাইছড়ি পৌর সভাপতি কাজী নেয়ামত উল্লাহ, উপজেলা টিম সদস্য আব্দুল কাইয়ুম, টিম সদস্য ওবায়দুল হক।

সঞ্চয়ালনায় ছিলেন উপজেলা টিম সদস্য সরদার আব্দুর রহিম ও উপজেলা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আবসার হোসেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দিবাগত রাত ১ ঘটিকায় স্থানীয়দের ধারণা বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি আগুনে প্রায় ৩০ টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায় এতে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাদের দাবি এই উপজেলাতে কোন ফায়ার স্টেশন না থাকায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।