শিরোনাম
সেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় নদী ভাঙ্গনে ঝুঁকিতে অন্তত ৪০ পরিবার

১০

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
বসতবাড়ি ফসলে জমি খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় বোয়ালখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বোয়ালখালী পুরাতন বাজার বোয়ালখালী নদীর ভাঙ্গনে দিনদিন বিলিন হয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি ও জসলের জমি। আগামী বর্ষায় ভাঙ্গনের ভয়ে আছেন ৩০/৪০ টি পরিবার।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে একাধিকবার জানানোর পরে ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এলাকাবাসীর অভিযোগ। ঐতিহ্যবাহি বোয়ালখালী পুরাতন বাজার বোয়ালখালী খালটি মানুষের বসতবাড়ি পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া। এই নদীর স্রোতে ভাঙ্গন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে গত কয়েক বছরে আশেপাশের ৩০হতে ৪০টি পরিবারের অর্ধেকেরও বেশি জায়গা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

বোয়ালখালী খালের পাশে বসতভিটা সন্তানাদি বাস করা আবুল হাসেম বলেন, আমি জায়গা কিনেছি ১০শতক এখন নদীতে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে আমার জায়গা ৪শতকে এসে টেকেছে। নদী গর্ভে বাকি জায়গা টুকু কখন যে বিলিন হয়ে যায় আতংকে আছি। খাল পাড়ের স্থানীয় বাসিন্দা কুস্তুল মুৎসুদ্দি (৬৫) বলেন, নদীতে শুধু বাড়িঘর বসতভিটা ফসলি জমি ভেঙ্গে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে ভাংতে থাকলে এক সময় নদীর পাড়ে সবার বাড়িঘর ছাড়া হয়ে নি:স্ব হয়ে যাব। সরকারের কাছে আমাদের দাবী নদী ভাঙ্গন থেকে আমাদের বাড়িঘর বসভিটা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার।

বোয়ালখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দীল মোহাম্মদ দীলু বলেন, বোয়ালখালী খালে ভাঙ্গনে ৩০/৪০পরিবার বাস করে এবং আশেপাশে ফসলি জমিসহ নদীরগর্ভে কয়েক বছরের বিলীন হয়েছে যাচ্ছে। এভাবে ভাঙ্গতে থাকলে দ্রুত ভাঙ্গনের রোধে ব্যবস্থা না নিলে দুই তীরের বসতবাড়ি ঘর ও ফসলি জমি সম্পূর্ন বিলিন হয়ে যাওয়া আশঙ্কায় রয়েছে। তবে গত কয়েক বছর যাবৎ একাধিক বার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এসে দেখে যায় কিন্তু ব্যয়বহুল খরচ হওয়াতে কোন প্রতিকারের ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের
প্রকৌশলী ভাঙ্গন পরিদর্শন এসে বলেছেন আপাতত বরাদ্দ নেই, তারপরও দেখা যাক কি করা যায় বলে উল্লেখ করেন।
বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা বলেন, নদী/খাল ভাঙ্গন রোধে ব্যয়বহুল প্রকল্প পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এডিবি কাজ করতে থাকে। বোয়াখালী নদী যে ভাবে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বসতিবাড়িঘর ফসলে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। নদী ভাঙ্গন রোধে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠাব।