শিরোনাম
বান্দরবনের থানচিতে হামের সঙ্গে ডায়রিয়ার প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সীমান্তের মানুষওমাটিরাঙ্গায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ি লিচুর মৌ মৌ গন্ধে মুখর বাজার এলাকাচুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে চুক্তি সম্পাদনকারী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটিতে দীপন তালুকদার দীপুকে-ই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় বিএনপি পরিবারের অনেকেখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির লাশ উদ্ধারখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারকাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবিদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণরাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে আগুনে পুড়ে ছাই অংথইউ খিয়াং এর ঘরবাবার ক্যান্সারে ও স্ত্রী প্যারালাইসিসে আক্রান্ত অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবার

খাগড়াছড়িতে বৈসু-সাংগ্রাই-বিঝু উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

১৮

॥ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
বৈসু, সাংগ্রাই, বিঝু (সমষ্টিগতভাবে ‘বৈসাবি’) ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ এপ্রিল, ২০২৫) সকালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে র‌্যালির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মোঃ আমান হাসান, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, এবং পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি সহ সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

পাহাড়ি ও বাঙালি সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ র‌্যালির শুরুতে পার্বত্য জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংহ্লামং চৌধুরীর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য দেন নবনিযুক্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। র‌্যালিতে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশগ্রহণ করেন। রঙিন সাজে সজ্জিত র‌্যালিটি খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।পরে টাউন হল প্রাঙ্গণে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গরয়া নৃত্যসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এ আয়োজন যেন পাহাড়ি-বাঙালি মিলনের এক উৎসবমুখর আবহ তৈরি করে।