শিরোনাম
বান্দরবনের থানচিতে হামের সঙ্গে ডায়রিয়ার প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সীমান্তের মানুষওমাটিরাঙ্গায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ি লিচুর মৌ মৌ গন্ধে মুখর বাজার এলাকাচুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে চুক্তি সম্পাদনকারী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটিতে দীপন তালুকদার দীপুকে-ই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় বিএনপি পরিবারের অনেকেখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির লাশ উদ্ধারখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারকাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবিদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণরাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে আগুনে পুড়ে ছাই অংথইউ খিয়াং এর ঘরবাবার ক্যান্সারে ও স্ত্রী প্যারালাইসিসে আক্রান্ত অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবার

নিরাপত্তায় রাষ্ট্রের এজেন্সীগুলো সজাগ, নববর্ষ ও বৈসাবির প্রস্তুতিমুলক সভায়: রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক

১৮

॥ মিলটন বড়ুয়া ॥
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ বলেছেন, নিরাপত্তার জন্য সরকারের সকল এজেন্সিগুলো কাজ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের এ সামাজিক অনুষ্ঠান আমার জন্যও প্রথম অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান পালনে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি স্থানীয় সামাজিক এবং ক্লাব সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দরা স্ব-স্ব এলাকায় সজাগ থাকবে। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আইনসৃংখলার অবনতি ঘটালে সাথে সাথেই ব্যবস্থা। সোমবার (৭এপ্রিল) আসন্ন বাংলা নববর্ষ ও বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ও সাংক্রান অনুষ্ঠান উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিকাল ৩ঘটিকায় জেলা প্রশাসনের সভা কক্ষে এসময় জেলা পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকতা সহ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগন, সরকারি সেরকারি পদস্ত কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন সহ সামাজিক সাংস্কৃতিক এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অনেকেই বিভিন্ন বিষয়ের উপর তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, প্রশাসনের উদ্যোগে ১লা বৈশাখের র‌্যালীতে সকল জনগোষ্ঠীর নেতৃত্বস্থানীয়দের উপস্থিতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাঙ্গামাটি জেলা অত্যন্ত সম্প্রীতির জেলা। পার্বত্য চট্টগ্রামের এ সামাজিক অনুষ্ঠান স্থানীয় সকল জনগোষ্ঠী সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পর্যটকরাও অনুষ্ঠান উপভোগ করতে আসেন। অনেক দুষ্টলোক থাকতে পারে, আমাদের রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দরা সজাগ থাকা দরকার এবং সেটাই আশা করছি। বৃহৎ এ অনুষ্ঠান পালনে আইনী বাধ্যবাধকতার বাইরে কারো দ্বারা কোন কাজ হলে সাথে সাথেই জেলা প্রশাসন এবং পুলিশকে জানানোর আহ্বান করছি। বৈশাখের অনুষ্ঠানে আমাদের দেশীয় সংগীতকে প্রাধান্য দিতে হবে বলেও জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কারো যদি পারস্পরিক সহযোগীতার অভাব থাকে তা হলে সেটি হবে উদ্বেগের। পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক এ বৃহৎ অনুষ্ঠান রাঙ্গামাটিতেও বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ও সাংক্রান নির্বিগ্নে করতে পারে তার জন্য প্রশাসনও সজাগ রয়েছে।

পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন বলেছেন, এ অনুষ্ঠান সকলের। সবাই যাহাতে নির্বিগ্নে উপভোগ করতে পারে পুলিশ প্রশাসনও সজাগ রয়েছে। তিনি কোন অপ্রীতিকর ঘটনার আভাস বা হলে সাথে সাথে পুলিশকে জানাতে আহ্বান করেন। এ উৎসবের সৌন্দর্য্য যাহাতে নষ্ট না হয় তার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতেও আহ্বান করেন। তিনি বলেন, আমরাও ছাড় দিতে চাই, তবে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালাবেন না, আইন না মানলে পুলিশ আইনী ব্যবস্থা নিবে।