শিরোনাম
গণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতার বিচার ট্রাইব্যুনালে নয়, প্রচলিত আইনেই হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদকবিরোধী ম্যারাথন দৌড়ে তিনশত জনের অংশ গ্রহনসড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই-এ ইউপি সদস্যের ছেলে নিহতসেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !

বান্দরবানে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৬ লাখ টাকা অনুদান প্রদান

৪৮

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও সম্পদের ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে বন বিভাগ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন সময় বন্য হাতির পাল তান্ডব চালিয়ে মানুষ এবং সম্পদ ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আর্থিক সহযোগিতা হিসাবে চেক বিতরণ করে লামা বন বিভাগ।

রবিবার (১০ মার্চ ২০২৫ইং) দুপুর ১২টায় লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে লামা বন বিভাগের উদ্যোগে “হাতি করলে সংরক্ষণ, রক্ষা হবে সবুজ বন” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জনসচেতনতা মূলক সেমিনার ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরনের চেক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাগণ, সাংবাদিক, হাতির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লামা বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে বন বিভাগের পক্ষ থেকে ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকার অনুদানের চেক দেয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারের সদস্যদের হাতে চেক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।

ক্ষতিপূরণ প্রাপ্ত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হলেন, মোঃ জামাল উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, তৈয়ব আলী, মোঃ জসিম উদ্দিন, এস কে এইচ সাব্বির আহমদ, ছলিমুল হক চৌধুরী, মোঃ গিয়াস উদ্দিন, আব্দুস শুক্কুর, সাবিনা আক্তার, দেলোয়ার হোসেন, বোরহান উদ্দিন, বদিউজ্জামান, হাজেরা বেগম, প্রুন থান জুয়ে, আনোয়ার হোসেন, মোঃ জামাল উদ্দিন, শাহা আলম, ফরিদা বগেম, ইসমত আরা বেগম, রিমা আক্তার, শফিকুর রহমান, ফরিদুল আলম, সাইফুল ইসলাম, মোঃ জসীম উদ্দিন, নুরুল হোছেন, আব্দুল খালেক, কবির আহাম্মদ এবং নাসির উদ্দিন।

চেক প্রদানের সময় লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন বলেন, পাহাড়ে আবাস্থল ও করিডোর নষ্ট হওয়ায় বন্যহাতিগুলো লোকালয়ে নেমে পড়ছে। তাই দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদেরকে জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে বেশি বেশি সতর্ক থাকতে হবে। ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী মানুষের ক্ষতি করে থাকলে, বনবিভাগের পক্ষ থেকে বিধি মোতাবেক ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।