শিরোনাম
গণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতার বিচার ট্রাইব্যুনালে নয়, প্রচলিত আইনেই হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদকবিরোধী ম্যারাথন দৌড়ে তিনশত জনের অংশ গ্রহনসড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই-এ ইউপি সদস্যের ছেলে নিহতসেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !

খাগড়াছড়ির রামগড়ে এসিল্যান্ডের শূন্যতায় দুর্ভোগে সেবা প্রার্থীরা

১৮

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছুটিতে থাকায় এবং দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় জরুরী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সেবা গ্রহীতারা।

জানাযায়, ১৭দিন আগে অসুস্থতাজনীত কারন দেখিয়ে এসিল্যান্ড ছুটিতে যায়। ছুটিতে যাওয়ায় ভুমি সংক্রান্ত বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এসিল্যান্ডের ছুটির ১৭দিন অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত লিখিতভাবে দায়িত্ব পাননি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। বর্তমানে পদটি শূন্য থাকায় ভূমি অফিসের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সেবাপ্রার্থীরা। বিশেষ করে, জমি কেনাবেচা, নামজারি শুনানী সেবা মিলছে না। জমি খারিজ না করার কারণে জমি বেচা কেনা করতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। এতে করে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, রামগড় উপজেলা ভুমি অফিস জেলার অন্যান্য উপজেলা থেকে ব্যস্ততম একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিনই জমি বেচাকেনা, নামজারি, কাগজপত্র উঠানো হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন এসিল্যান্ড না থাকায় এসব জরুরী সেবা বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন সেবাপ্রার্থীরা। বিশেষকরে প্রবাসীদের দুর্ভোগ চরমে।

এছাড়াও এসিল্যান্ড ভুমি অফিসের পাশাপাশি রামগড় ১নং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক এবং রামগড় পৌরসভার জন্ম মৃত্যু সংক্রান্ত নিবন্ধকের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেছিলেন। বর্তমানে ইউনিয়ন ও পৌরসভার নাগরিক ও বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, অফিসের কাজ উপজেলা সহকারী কমিশনারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। এসিল্যন্ড না থাকায় সেবাপ্রার্থীদের নিয়মিত সেবা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।