শিরোনাম
গণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতার বিচার ট্রাইব্যুনালে নয়, প্রচলিত আইনেই হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদকবিরোধী ম্যারাথন দৌড়ে তিনশত জনের অংশ গ্রহনসড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই-এ ইউপি সদস্যের ছেলে নিহতসেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !

খাগড়াছড়িতে ৩০ গ্রাম তলিয়ে গেছে, সাজেকে আটকা প্রায় ২৫০ পর্যটক

৩৩

॥ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
ভারি বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ির মাইনি ও কাচালং নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায়, খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের একাধিক অংশ তলিয়ে গেছে। এর ফলে সাজেক বেড়াতে আসা প্রায় ২৫০ জন পর্যটক আটকা পড়েছেন। দীঘিনালার মেরুং ও কবাখালি ইউনিয়নের ৩০টি গ্রাম বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। অন্যদিকে, চেঙ্গী নদীর পানি কমে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (২০আগষ্ট) বিকাল থেকে কবাখালি, বাঘাইহাট বাজার ও মাচালং বাজারসহ সাজেক সড়কের একাধিক অংশ পাঁচ থেকে ছয় ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়, যার ফলে সড়কটিতে সমস্ত ধরনের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিরিন আক্তার জানিয়েছেন, “সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে ২৫০ জন পর্যটক সাজেকে আটকা পড়েছেন এবং তারা আজ ফিরতে পারবেন না।

অন্যদিকে, দীঘিনালার কবাখালিতে আটকা পড়া পর্যটক আমিনুল ইসলাম ও ওয়াহিদ কবির জানান, “আমরা ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে এসে এখন আটকা পড়েছি। সড়কের দুই-তিন জায়গায় পানি উঠেছে এবং এতো দূর বাইক জার্নি করে আসার পর সাজেক যেতে পারছি না। দীঘিনালায় অবস্থান করব এবং পানি কমলে সাজেক যাব। চেঙ্গী নদীর পানি কমে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় বন্যার পানি কিছুটা কমছে, কিন্তু শহরের নিম্নাঞ্চলে এখনো বন্যার প্রভাব রয়ে গেছে। খাগড়াছড়ি পৌর শহরের মুসলিম পাড়ার বাসিন্দা শান্ত ইসলাম ও তোফায়েল মিয়া জানান, তাদের এলাকায় বারবার বন্যার কারণে দুর্ভোগ বেড়ে গেছে এবং এখনো কোনো ত্রাণ সহায়তা বা খাবার পাওয়া যায়নি।

খাগড়াছড়ি পৌরসভার প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা জানিয়েছেন, “বন্যাদুর্গতদের জন্য ১২ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ করা হয়েছে, এর মধ্যে দুই হাজার ৫৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এদিকে দীঘিনালার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে মেরুং ও কবাখালি ইউনিয়নের ৩০ গ্রাম। পাহাড়ি ঢলের কারণে দীঘিনালা-লংগদু সড়কের হেড কোয়াটার এলাকা তলিয়ে গেছে, ফলে রাঙ্গামাটির লংগদুর সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

মেরুং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ঘনশ্যাম ত্রিপুরা জানান, আশ্রয়কেন্দ্রে আসা বন্যাদুর্গতদের শুকনো খাবার ও খিচুড়ি রান্না করে দেওয়া হয়েছে। মাইনী নদীর পানি কমছে না, ফলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং মেরুং বাজার এখনো পানির নিচে। আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থারত বন্যাদুর্গতদের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।