শিরোনাম
রামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় আবারো অবমুক্ত হলো লজ্জাবতী বানর

৭১

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় লোকালয় থেকে উদ্ধার হওয়া লজ্জাবতী বানর টি মাটিরাঙ্গা রেঞ্জ র্মকর্তার কার্যালয়ের ঔষধি বাড়িতে অবমুক্ত করা হয়েছে। অবমুক্ত করার মাধ্যমে আবারো নিজের আবাসস্থল বনে ফিরে গেল বিপন্ন প্রজাতির লজ্জাবতী বানর। মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চক্রবর্তী ও মাটিরাঙ্গা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা, মোঃ আতাউর রহমান লস্কর অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে লজ্জাবতী বানরটি অবমুক্ত করেন।

অবমুক্তকালে মাটিরাঙ্গা রেঞ্জের ফরেস্টার তৌহিদুর রহমান লিটন, ফরেস্টার মোঃ মনির হোসেন, ফরেস্টার আহসানুজ্জামান, ফরেস্টার শাহনুর ররহমান ও ফরেস্টার সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুপুরের দিকে মাটিরাঙ্গা রেঞ্জের কর্মকর্তারা উপজেলার বড়নাল এলাকা থেকে বানরটি উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমান লস্কর বলেন, সকালের দিকে বড়নাল এলাকার মোটর সাইকেল চালক সুমন লজ্জাবতী বানরটি লোকালয়ে দেখতে পেয়ে জনতা আটক করে। পরে খবর পেয়ে মাটিরাঙ্গা বন বিভাগের কর্মকর্তারা বানরটটি উদ্ধার করে। পরে বন বিভাগের ঔষধি বাড়িতে অবমুক্ত করা হয়।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চক্রবর্তী বলেন, বনজঙ্গল ও গাছপালা উজাড় হওয়ার কারনে খাদ্যের সন্ধানে লজ্জ্বাবতী বানর লোকালয়ে এসে স্থানীয়দের হাতে প্রাণ হারাচ্ছে। এসব বন্যপ্রাণীকে রক্ষায় করতে হলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সচেতন করতে হবে। প্রসঙ্গত, গেল দশ মাসে চারটি লজ্জাবতী বানর অবমুক্ত করেছে মাটিরাঙ্গা রেঞ্জ।