শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের কোন জায়গা হবে না

জনগণের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষার জন্য সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত: সেনা প্রধান

১১৬

॥ আকাশ মারমা মংসিং, বান্দরবান ॥
শান্তি আলোচনার ছত্রছায়ায় দিনের পর দিন সন্ত্রাসীরা তাদের কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়েছে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ তাদের যে উদ্দেশ্য পরিকল্পনা করা হয়েছে সেটিকে সমন্বিতভাবে যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতিহত করা হবে। রবিবার (৭এপ্রিল) দুপুরে সেনা জোনের প্যারেড গ্রাউন্ডে সাংবাদিকদেরকে এসব কথা জানান সেনা প্রধান জেনারেল এস.এম শফিউদ্দিন।

এর আগে সোনালী ব্যাংকে সন্ত্রাসী হামলা ও ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের ঘটনায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রুমা ও থানচি উপজেলা পরিদর্শনে করেন। পরে তিনি রিজিয়নের সেনা সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় অভিযানে সর্বদাই প্রস্তুত থাকার জন্য সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সেনা প্রধান জেনারেল এস.এম শফিউদ্দিন বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী পাহাড়ে অভিযানের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। কিছু কার্যক্রম দৃশ্যমান আরো কিছু কার্যক্রম দেখতে পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশের জনগণের নিরাপত্তার ও সার্বভৌমত্বের রক্ষার জন্য যা যা করণীয় আছে সেটি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবেন বলে প্রত্যাশা করেন। তাই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

সেনা প্রধান জেনারেল আরো বলেন, আগের দিন রাতে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় অভিযানে পরিচালনা সক্ষম হয়েছে এবং সে অভিযানে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সেই অস্ত্র কাদের সেটি এখনো সনাক্ত করা যায়নি। তাছাড়া সন্ত্রাসীদের আস্তানা কোথায় আছে সেটি খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। র‌্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রচেষ্টার মাধ্যমে পাহাড়ে অভিযান চলমান রয়েছে।

সেনা প্রধান জেনারেল বলেন, শুরুতেই কিছুটা বিশ্বাস ছিল যে শান্তি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু আলোচনার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসীরা আবার অশান্তি শুরু করে দিয়েছে। যেটি বাংলাদেশের জন্য বড় একটি হুমকি। তাই সসন্ত্রাসীদের কার্যক্রম নির্মুল করতে যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সেটি নেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের কোন জায়গা হবে না।