শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুপাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বৃদ্ধার মৃত্যু, সতর্কতার জন্য মাইকিংশুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে জব্ধ করা জাল ও নৌকা ৮ জুলাই নিলামে উঠছে

খাগড়াছড়িতে পল্লী চিকিৎসকদের সাথে ব্র্যাকের যক্ষা নিরোধে মতবিনিময় সভা

৪৪

॥ খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে যক্ষা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পল্লী চিকিৎসকদের সাথে ব্র্যাকের জাতীয় যক্ষা নিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(৪নভেম্বর) সকালে ব্র্যাকের উদ্যোগে ব্র্যাক খাগড়াছড়ির জেলা অফিস মিলনায়তনে “যক্ষ্মা রোগ নিয়ন্ত্রণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পল্লী চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় সভায় ব্র্যাকের উপজেলা ম্যানেজার মোঃ সাঈদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগের সিভিল সার্জন ডা: নুপুর কান্তি দাশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ডা: সঞ্জীব ত্রিপুরা।

এসময় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ব্র্যাকের খাগড়াছড়ি জেলা ম্যনেজার মোঃ সাইয়েদ নুর, খাগড়াছড়ি গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি ডা: অনিল কান্তি দেবসহ জেলা সদর হতে আগত পল্লী চিকিৎসকগণ।
প্রধান আলোচক খাগড়াছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগের সিভিল সার্জন বলেন, যক্ষ্মা ছোঁয়াচে হলেও সচেতনতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনতে পল্লী চিকিৎসকদের বিরাট ভূমিকা রাখতে হবে। দুই সপ্তাহের অধিক কাশি ও জ্বর হলে তাকে যক্ষা রোগী সন্দেহ করে কফ পরীক্ষার জন্য ব্র্যাক ও আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠাতে পরামর্শ দেন তিনি।

আলোচনায় যক্ষারোগ বিষয়ে ডা: সন্জীব ত্রিপুরা তার বক্তব্যে বলেন,’যক্ষা হলে রক্ষা নাই, এ কথার ভিত্তি নাই।’ চিকিৎসায় যক্ষা রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হয়। যক্ষা সাধারণত বৃদ্ধ, স্যাঁতস্যাঁতে, ঘনবসতিপূর্ণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝেই যক্ষা বা টিবি রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। যক্ষা বা টিবির জীবাণুর সংক্রামণ বৈশিষ্ট্যের কারণেই এমনটি হয়। এ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতার মাত্রা কম থাকায় এ রোগের বিভিন্ন লক্ষণ বা উপসর্গ ধাপকে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর সিংহভাগেরই তেমন ভালো কোনো ধারণা নেই। মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবার কিউলোসিস নামের এক ধরনের জীবাণু থেকে এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত রোগীর কফ থেকে এ রোগের জীবাণু একজনের দেহ থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। যেসব রোগী ২সপ্তাহের বেশি জ্বরে ভোগে তাদের ৩৩ শতাংশ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এদের কফ থেকে সব সময় জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। তাই এদের সাথে চলাফেরা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। রোগীর হাঁচি কাশির সাথে সাধারণত রোগ জীবাণু বাইরে আসে। যক্ষা দুই ধরনের, ফুসফুসের যক্ষা ও ফুসফুস বহির্ভূত যক্ষা। বুকের এক্স-রে রক্তের ইএসআর, কফ পরীক্ষা এবং টিউবার কিউলিন বা মনটেংটেস্ট করে যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করা হয়। সর্বোপরি যক্ষা রোগ সনাক্ত ও প্রতিরোধে গ্রাম ডাক্তারদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।