শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

দীঘিনালায় “নারীর গৃহাস্থালী কাজের স্বীকৃতি ও গৃহকাজে সহযোগিতা” শীর্ষক সেমিনার

৯৫

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলা নারীর গৃহাস্থালী কাজের স্বীকৃতি ও গৃহকাজে সহযোগিতা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ডিসেম্ব) সকাল সাড়ে ১১টায় দীঘিনালা উপজেলা সেমিনার কক্ষে সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে নারীর গৃহাস্থালী কাজের স্বীকৃতি ও গৃহকাজে সহযোগিতা” শীর্ষক সেমিনারে দীঘিনালা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শামসুল আলম এর সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম এর প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ কাশেম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা সহকারী পরিচালক মিসেস রোকেয়া বেগম, দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ নারী ভাইস চেয়ারম্যান সীমা দেওয়ান, দীঘিনালা ইউপি চেয়ারম্যান চন্দ্র রঞ্চন চাকমা, বাবুছড়া ইউপি চেয়ারম্যান গগন বিকাশ চাকমা, সাংবাদিক মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা রিসোর্স সেন্টার‘র ইন্সক্ট্রার মোঃ মাইন উদ্দিন প্রমূখ।

সেমিনারের প্রধান অলোচক হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জসিম উদ্দীন নারীর গৃহাস্থালী কাজের স্বীকৃতি ও গৃহকাজে সহযোগিতা সেমিনারে বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন। আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, নারীর গৃহাস্থালী কাজের স্বীকৃতি ও গৃহকাজে সহযোগিতা করতে হবে। নারীরা পরিবারের সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে। তারা জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত পরিবারের সদস্য জন্য সেবা দিয়ে যায়, বিনিময় তারা কিছু চায় না এবং কি পায় না, শুধু অবহেলা পেয়ে যায়। তাদের কাজে সহযোগীতা করতে হবে। নারীদেরকে শিক্ষা শিক্ষিত হয়ে পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য করার সুযোগ দিতে হবে। নারীদেরকে সচেতন হতে হবে। ২০৪১ সালে দেশকে উন্নতির শীর্ষে নিতে হলে নারীদের কাজের স্বীকৃতি ও গৃহস্থলী কাজের সহযোগীতা করতে হবে।