শিরোনাম
লক্ষ্মীছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর শিক্ষা উপকরণ বিতরণবন্যা ও ভূমিধসে রোয়াংছড়িতে ক্ষতিগ্রস্ত ৬শত পরিবার পাচ্ছেন নগদ অর্থের সহায়তাবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ধান চাষ করে কৃষকের মাথায় হাতকাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে পর্যটক নিখোঁজপ্রথম আলোর সংবর্ধনায় খাগড়াছড়িতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০৭ কৃতী শিক্ষার্থীকাপ্তাই ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদ শূন্য ভোগান্তি মানুষেররোয়াংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ও কমিউনিটি সেন্টার উদ্বোধনখাগড়াছড়িতে মারমা যুব ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সভাবান্দরবানের লামায় ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় ম্রো শিশুদের টিকাদানশিক্ষকরা মানসিকভাবে ভালো না থাকলে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত সম্ভব নয়

রাজস্থলীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হল দুর্গোৎসব

৭৭

॥মোঃ,আজগর আলী খান রাজস্থলী ॥

ঢাকের বাদ্য, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে (২২ অক্টোবর) ষষ্ঠীতে শুরু হয় শারদীয় দুর্গাপূজা। পরের তিন দিন আনন্দের বর্ণিল ছটা ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সেখানে বাজলো বিষাদের করুণ সুর।

বছর ঘুরে আবার আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাখো ভক্তকে ভারাক্রান্ত করে ঘোড়ায় চড়ে বিদায় নিলেন দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা। এরই মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

বিজয়া দশমী শেষে মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর রাজস্থলী হরিমন্দির পুকুরে বিসর্জন দেয়া হয়েছে দেবী দুর্গা কে। পুকুর পারে শতশত নারী পুরুষ ‘দুর্গা মা কি, জয় মহামায়া কি, জয় একের পর এক এমন জয়ধ্বনি, ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও ঘণ্টা বাজিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

ভক্তকুলকে কাঁদিয়ে মর্ত্য থেকে প্রস্থান করলেন জগতের দুর্গতিনাশিনী দেবীদুর্গা। নানা আচার অনুষ্ঠানে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে সার্বজনীন অংশে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার তিনটি পুজা মন্ডপে শেষ হল সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।

শঙ্খ, ঢাক, ঢোল বাজিয়ে ভক্তরা দেবীর প্রতিমা কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজস্থলী থানা অফিসার ইনচার্জ মফজল আহমদ খান এর উপস্থিতিতে বিসর্জন দেওয়া হয়। ওই সময় ভক্তদের চোখের জল গড়ায় পুকুর পাড়ে।