শিরোনাম
রামগড়ে মাদক ও জুয়ার ক্ষতিকর বিষয়ে লিফলেট বিতরণ করলো ছাত্রদলবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে প্রকল্পের কাজ না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগক্যান্সারে আক্রান্ত অনিল তঞ্চঙ্গ্যার চিকিৎসা সহায়তায় পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড়ের মাস্টার পাড়ায় ৯ মাদকখোর আটকখাগড়ছিড়ির দীঘিনালায় সেনা জোনের মানবিক সহায়তা প্রদানখাগড়াছড়ির রামগড়ে গাঁজাসহ সিএনজি চালক আটকচীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

ভক্তকুলকে কাঁদিয়ে মর্ত্য থেকে প্রস্থান করলেন দুর্গতিনাশিনী দেবীদুর্গা

কাপ্তাই লেকে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হল দুর্গোৎসব

৮৩

॥ শাহ আলম ॥

ঢাকের বাদ্য, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে (২২ অক্টোবর) ষষ্ঠীতে শুরু হয় শারদীয় দুর্গাপূজা। পরের তিন দিন আনন্দের বর্ণিল ছটা ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সেখানে বাজলো বিষাদের করুণ সুর। বছর ঘুরে আবার আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাখো ভক্তকে ভারাকান্ত করে ঘোড়ায় চড়ে বিদায় নিলেন দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা। এরই মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

বিজয়া দশমী শেষে মঙ্গলবার কাপ্তাই হ্রদে বিসর্জন দেয়া হয়েছে দেবী দুর্গাকে। আজ (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের তীরে ‘দুর্গা মা কি, জয়। মহামায়া কি, জয়।’ একের পর এক এমন জয়ধ্বনি, ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও ঘণ্টা বাজিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। ভক্তকুলকে কাঁদিয়ে মর্ত্য থেকে প্রস্থান করলেন জগতের দুর্গতিনাশিনী দেবীদুর্গা। নানা আচার অনুষ্ঠানে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে সার্বজনীন অংশে রাঙ্গামাটিতে শেষ হল সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। শঙ্খ, ঢাক, ঢোল বাজিয়ে ভক্তরা দেবীর প্রতিমা বিসর্জন দেন। ওই সময় ভক্তদের চোখের জল গড়ায় কাপ্তাই হ্রদে।

 

 

 

এবছর শহরসহ রাঙ্গামাটি জেলায় মোট ৪০টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়। রাঙ্গামাটিতে ২২ অক্টোবর ষষ্ঠীপুজা দিয়ে শুরু এ ধর্মীয় মহাযজ্ঞ আজ মঙ্গলবার বিকালে কাপ্তাই হ্রদে মহিসাসুরমর্দিনী দুর্গতিনাশিনী মা দেবীদুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। প্রথা অনুযায়ী, প্রতিমা বিসর্জনের পর সেখান থেকে শান্তির জল মঙ্গলঘটে নিয়ে তা হৃদয়ে ধারণ করা হয়। আগামী বছর আবার এ শান্তির জল হৃদয় থেকে ঘটে, ঘট থেকে প্রতিমার সম্মুখে রেখে পূজা করা হবে।

প্রসঙ্গত, এবারে রাঙ্গামাটিতে জেলায় ৪০টি ও পৌর রাঙ্গামাটির পৌর এলাকায় ১১টি পুজামন্ডপে শারদীয় দুর্গাউৎসব উদযাপন হচ্ছে এবং আজ মঙ্গলবার দশমী পালনের মধ্য দিয়ে সনাতনী সমাজের এই বৃহত্তম শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি হয়েছে।