শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের খাদ্যশস্য বিতরণ

১২৮

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে মাটিরাঙ্গার ১২৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে খাদ্যশষ্য বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জুন) সকালের দিকে বরাদ্ধ পাওয়া প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে বরাদ্ধ (ডিও) তুলে দেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম।

এসময়, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) নুসরাত ফাতেমা চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ ইশতিয়াক আহম্মদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন, তাইন্দং ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ পেয়ার আহম্মদ মজুমদার, বেলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রহমত উল্ল্যাহ ও বড়নাল ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইলিয়াছ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সরকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সবসময় আন্তরিক মন্তব্য করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রীর এমন উপহার তারই বহি:প্রকাশ।

দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের ত্রাণ ভান্ডার থেকে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের অনুকূলে ৮০০ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য (চাল) বরাদ্দ প্রদান করা হয়। প্রাপ্ত বরাদ্ধ হতে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ৯০ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য উপ-বরাদ্দ প্রদান করেন।

মাটিরাঙ্গার ৪টি প্রতিষ্ঠানে ১.৫ মেট্রিক টন, ৪৩ টি প্রতিষ্ঠানে ১ মেট্রিক টন এবং ৮২ টি প্রতিষ্ঠানে ০.৫ মেট্রিক টন করে খাদ্যশষ্য প্রদান করা হয়। এর মধ্যে মসজিদ ৬০ টি, মন্দির ও ক্যায়াং ৩৯টি, মাদ্রাসা ও এতিমখানা ৩০টি সহ সর্বমোট ১২৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এসব বরাদ্দ প্রদান করা হয়।