শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণাকাপ্তাই নতুন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানরোয়াংছড়িতে অভিভাবকদের নিয়ে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিতকাপ্তাইয়ে ট্রাকের বাঁশের সাথে বৈদ্যুতিক তার আটকে ট্রন্সফরমার ক্ষতিগ্রস্তমাটিরাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হলো বিজয়ীরালংগদুতে ইউএনও এর জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপে সুফল পাচ্ছেন মানুষ

দীঘিনালায় বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আলোচনা সভা

পার্বত্য চট্টগ্রামে বেসরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে অর্ধহারে থাকে

১৩৯

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আলোচনা সভায় শিক্ষকরা বলেছেন বিনাবেতনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা সরকারি স্কুলের মত পাঠদান করি। কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় দীঘিনালা উপজেলা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আয়োজনে কবাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সমিতির আলোচনা সভায় শিক্ষকরা এ কথা বলেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দেওয়ানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জ্যোতি ত্রিপুরা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি ধনীময় ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির প্রচার সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, সমরজিৎ চাকমা প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, বিনাবেতনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা সরকারি স্কুলের মত পাঠদান করাই। কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমরা পার্বত্য অঞ্চলের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা দূর্গম এলাকার স্কুল করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াছি। আমরা সরকারের কাছে দাবী করছি বিদ্যালয় বিহীন এলাকায় ১ হাজার স্কুল স্থাপন প্রকল্প বাতিল করে আমাদের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে যাচাই বাছাই করে জাতীয় করনে আওতায় আনার দাবী করছি। এছাড়া পার্বত্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে তিন পার্বত্য জেলায় ১৪২টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালিকা করা হয়েছে, ১৪২টি নয় পার্বত্য তিন জেলার সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পার্বত্য মন্ত্রনালয়ে অন্তর্ভুক্ত করারও দাবী করেন।