শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

দীঘিনালায় বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আলোচনা সভা

পার্বত্য চট্টগ্রামে বেসরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে অর্ধহারে থাকে

১৩৯

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আলোচনা সভায় শিক্ষকরা বলেছেন বিনাবেতনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা সরকারি স্কুলের মত পাঠদান করি। কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় দীঘিনালা উপজেলা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আয়োজনে কবাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সমিতির আলোচনা সভায় শিক্ষকরা এ কথা বলেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দেওয়ানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জ্যোতি ত্রিপুরা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি ধনীময় ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির প্রচার সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, সমরজিৎ চাকমা প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, বিনাবেতনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা সরকারি স্কুলের মত পাঠদান করাই। কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমরা পার্বত্য অঞ্চলের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা দূর্গম এলাকার স্কুল করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াছি। আমরা সরকারের কাছে দাবী করছি বিদ্যালয় বিহীন এলাকায় ১ হাজার স্কুল স্থাপন প্রকল্প বাতিল করে আমাদের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে যাচাই বাছাই করে জাতীয় করনে আওতায় আনার দাবী করছি। এছাড়া পার্বত্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে তিন পার্বত্য জেলায় ১৪২টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালিকা করা হয়েছে, ১৪২টি নয় পার্বত্য তিন জেলার সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পার্বত্য মন্ত্রনালয়ে অন্তর্ভুক্ত করারও দাবী করেন।