শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে কংক্রিট-বালির স্তুপ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

১৩৬

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার সুধীর মেম্বার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দুই মাস ধরে বালু ও কংক্রিট স্তূপ করে রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে সড়ক নির্মাণের জন্য এসব মালামাল রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে মালামাল স্তূপ করে রাখায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক খেলাধুলা বন্ধ হয়ে গেছে।

বুধবার উপজেলার ভৈরফা নয়াপাড়া’র সুধীর মেম্বার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির মাঠ জুড়ে বালু ও কংক্রিটের স্তুপ। বিদ্যালয় থেকে দুইশো গজ আগে সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে।

জানা যায়, নির্মাণধীণ সড়কের ইট তুলে মাঠে নিয়ে কংক্রিট ভেঙে স্তুপ করে রেখেছে ঠিকাদার মোঃ হায়দার। কংক্রিট ভাঙা শেষে কংক্রিটের পাশাপাশি বালু এনেও স্তুপ করে রেখেছেন তিনি। এ সময় বিদ্যালয়টির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রাপ্তি রোয়াজা, কৃষ্টিনা ত্রিপুরা ও বিন্দু ত্রিপুরা জানায়, দুইমাস ধরে বিদ্যালয়ের মাঠে বালু ও কংক্রিট স্তুপ করে রাখায় তারা খেলাধুলা করতে পারছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবিভাবক বলেন, প্রতিবাদ করলে তাদের সন্তানদের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে, সেই ভয়ে চুপ করে আছেন তারা।

এ সময় বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বাণীভুষণ ত্রিপুরাকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক শিউলী ত্রিপুরা বলেন, পাকা রাস্তা পাওয়ার স্বার্থে মাঠে সড়ক নির্মাণের মালামাল রাখতে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাঠে ঠিক হতে অনেকদিন সময় লাগবে। হিরোশিমার মতো মাঠে সহজে ঘাস উঠবেনা। এ

বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মোঃ হায়দার বলেন, ‘আমি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই মাঠে বালু ও কংক্রিট রেখেছি। কয়েক দিনের মধ্যে মাঠ থেকে আমার মালামাল সরিয়ে নেব।