শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুপাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বৃদ্ধার মৃত্যু, সতর্কতার জন্য মাইকিংশুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে জব্ধ করা জাল ও নৌকা ৮ জুলাই নিলামে উঠছে

বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে কংক্রিট-বালির স্তুপ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

১৩৬

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার সুধীর মেম্বার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দুই মাস ধরে বালু ও কংক্রিট স্তূপ করে রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে সড়ক নির্মাণের জন্য এসব মালামাল রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে মালামাল স্তূপ করে রাখায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক খেলাধুলা বন্ধ হয়ে গেছে।

বুধবার উপজেলার ভৈরফা নয়াপাড়া’র সুধীর মেম্বার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির মাঠ জুড়ে বালু ও কংক্রিটের স্তুপ। বিদ্যালয় থেকে দুইশো গজ আগে সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে।

জানা যায়, নির্মাণধীণ সড়কের ইট তুলে মাঠে নিয়ে কংক্রিট ভেঙে স্তুপ করে রেখেছে ঠিকাদার মোঃ হায়দার। কংক্রিট ভাঙা শেষে কংক্রিটের পাশাপাশি বালু এনেও স্তুপ করে রেখেছেন তিনি। এ সময় বিদ্যালয়টির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রাপ্তি রোয়াজা, কৃষ্টিনা ত্রিপুরা ও বিন্দু ত্রিপুরা জানায়, দুইমাস ধরে বিদ্যালয়ের মাঠে বালু ও কংক্রিট স্তুপ করে রাখায় তারা খেলাধুলা করতে পারছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবিভাবক বলেন, প্রতিবাদ করলে তাদের সন্তানদের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে, সেই ভয়ে চুপ করে আছেন তারা।

এ সময় বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বাণীভুষণ ত্রিপুরাকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক শিউলী ত্রিপুরা বলেন, পাকা রাস্তা পাওয়ার স্বার্থে মাঠে সড়ক নির্মাণের মালামাল রাখতে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাঠে ঠিক হতে অনেকদিন সময় লাগবে। হিরোশিমার মতো মাঠে সহজে ঘাস উঠবেনা। এ

বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মোঃ হায়দার বলেন, ‘আমি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই মাঠে বালু ও কংক্রিট রেখেছি। কয়েক দিনের মধ্যে মাঠ থেকে আমার মালামাল সরিয়ে নেব।