শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

দীঘিনালায় জমি বিরুদ্ধে মাথা ফাঁটল শিশু ও বৃদ্ধের

১৬১

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় সাফিয়া বেগম (৫০) ও তাঁর কোলে থাকা ১৪ মাস বয়সী শিশু মিনহাজের মাথা ফেটেছে।

গত শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মেরুং ইউপির অধীনস্থ বড় মেরুং এলাকায়। আহত সাফিয়া বেগম ও মিনহাজ সম্পর্কে নানী-নাতী। ঘটনার পর স্বজনরা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরদিন (রবিবার) আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

দিঘীনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তা প্রমেশ চাকমা জানান, সাফিয়া বেগমের মাথায় ১০টি ও শিশু মিনহাজের মাথায় ৭টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

আহত সাফিয়া বেগম বলেন, প্রতিবেশি কামাল হোসেন (৪০) এর সাথে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে আমার পক্ষে রায় হয়। এরপর কামাল আপিল করেছে, যা এখনো বিচারাধীন। ঘটনা সম্পর্কে সাফিয়া বেগম বলেন, নাতি মিনহাজ কান্না করতেছিলো। তাই নাতিকে কোলে নিয়ে কামালের বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে দোকানে যাচ্ছিলাম। এমতাবস্থায় কাঠের লাকড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে কামাল। একপর্যায়ে আমি নাতি মিনহাজকে নিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায়, আহতরা চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পরেই আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান শিশু মিনহাজের পরিবার।

অভিযোগ অস্বীকার করে কামাল হোসেন বলেন, ছাগলে আমার পুঁইশাক গাছ খেয়ে ফেলায় আমি বকাবকি করছিলাম। তখন সাফিয়া বেগম বকাবকি নিজের কাঁদে চেপে নিয়ে আমাকে মারতে আসে। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির কারণে মাটিতে পড়ে গিয়ে সাফিয়া বেগম ও তাঁর নাতি আহত হতে পারে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসেন জানান, এ ঘটনার পর তিনি নিজে আহতদের গাড়িতে তুলে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। নিজেরা উত্তেজিত না হয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক লোকজনের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলে ভালো হতো।