শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

খাগড়াছড়িতে ৪র্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম লেখক সম্মেলন শুরু

বঙ্গবন্ধু সাড়ে ৭ কোটি মানুষকে একত্রিত করেছিল

১৮২

॥ দহেন বিকাশ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি ॥
খাগড়াছড়িতে ‘আমার ভাষায় আমার সাহিত্য’ এ প্রতিপাদ্যে দু’দিনব্যাপী চতুর্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম লেখক সম্মেলন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২১এপ্রিল) সকালে খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এ সম্মেলন শুরু হয়। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

চিটাগং হিল ট্রাকস্ রাইটার্স ইউনিয়নের সভাপতি মৃত্তিকা চাকমার সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নিলোৎপল খীসা, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ককবরক ভাষা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি লেখক বিকাশ রায় দেববর্মা, ইতিহাস বিষয়ে লেখক অরুন দেববর্মা, মোনঘর আবাসিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাকালীন সভাপতি শিশির চাকমা, মোনঘর আবাসিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহকারি শিক্ষিকা ও সংস্কৃতি কর্মী গৌরিকা চাকমা, লেখক সম্মেলন উদযাপন কমিটির আহবায়ক অংসুই মারমা সহ বিশিষ্ট আদিবাসী লেখকরা। এসময় লেখক ও কবি মুকুল কান্তি ত্রিপুরার উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন লেখক সম্মেলন ২০২৩ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব আর্য মিত্র চাকমা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, একজন লেখক বা কবি পুরো দেশকে পাল্টাতে পারে।একটি কবিতা একটি দেশ জন্ম দিতে পারে। যেমনটি ১৯৭১সালে বঙ্গবন্ধুর একটি কবিতা একটি লেখার মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সাড়ে ৭কোটি মানুষকে একত্রিত করেছিল। তেমনিভাবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছে। তিনিও একজন সংস্কৃতিমনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতি আন্তরিক। যেকোন প্রকল্প বা বরাদ্দ পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য হলে প্রধানমন্ত্রী চাহিদার তুলনায় দিয়ে থাকে। এদিকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি সহ প্রতিটি সেক্টরে কাজ করার জন্য প্রস্তুত উল্লেখ করে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির লেখকদের জন্য বই প্রকাশনা সহ যা যা করণীয় তা সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন প্রধান অতিথি।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, পাহাড়ে বসবাসরত নৃ-গোষ্ঠীদের সংস্কৃতি লেখনীর মাধ্যমে সঠিত তথ্য তুলে ধরবেন লেখকরা। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর লেখকদের একটি সংকলনের মোড়ক উম্মোচন করা হয়। চিটাগং হিল ট্রাকস্ রাইটার্স ইউনিয়ন এর আয়োজনে এ সম্মেলনে তিন পার্বত্য জেলার লেখক-লেখিকারা অংশ নিচ্ছেন।

সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর নিজ নিজ মাতৃভাষার সাহিত্য চর্চা ও প্রসারের ক্ষেত্রে এ সম্মেলন করা হয় বলে জানান বক্তারা।