শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুপাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বৃদ্ধার মৃত্যু, সতর্কতার জন্য মাইকিংশুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে জব্ধ করা জাল ও নৌকা ৮ জুলাই নিলামে উঠছে

খাগড়াছড়ির রামগড়ে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন

৭৭

॥ খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা রামগড় উপজেলায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহার উল্ল্যাহ মজুমদার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তাঁর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। রোববার (১৮ই অক্টোবর) দুপুরে রামগড় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর আয়োজনে সংসদ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা বাহার উল্ল্যাহ মজুমদার বলেন, গত ৬ই অক্টোবর বিকেলে সোনাইপোল আলফালাহ জামে মসজিদ কমিটির আহ্বানে সাড়া দিয়ে আয়োজিত সভায় অংশগ্রহন করে মসজিদ কমিটির বিভিন্ন অনিয়ম ও হিসাব সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে সোনাইপোলের নুরনবীর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদার, মোঃ বাচ্চু মিয়া মজুমদারের ছেলে মোঃ শরীফুল ইসলাম মজুমদার, গর্জনতলীর নিজাম উদ্দিনের ছেলে মোঃ জিয়া উদ্দিন বাবু, শালবাগানের মৃত আবু আহাম্মদের ছেলে খোকন, হাজীপাড়ার লোকমান হোসেনের ছেলে রাজু এবং নজিরটিলার এছহাক মিয়ার ছেলে মোঃ আরিফ তাঁকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে এবং প্রাণ নাশের হুমকি ধমকি দেয়। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ধরে বিভিন্ন বিশ্রি ভাষায় গালমন্দ করে থাকে। পরে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত উল্লেখ করে গত ১৪ই অক্টোবর রামগড় থানায় হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে একটি সাধারন ডায়েরি করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে হুমকিদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ মফিজুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা বাহার উল্ল্যাহ মজুমদারকে লাঞ্ছিত করায় দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এরকমভাবে অন্য কোনো মুক্তিযোদ্ধা যাতে অপমানিত ও লাঞ্ছিত না হয় সেই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের নিরাপত্তা দাবী করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাফর আহাম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ভুপেন ত্রিপুরা, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রমোদ বিহারী নাথ, মুক্তিযোদ্ধা মুছা মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল করিম, মুক্তিযোদ্ধা হরেন্দ্র ত্রিপুরা ও মুক্তিযোদ্ধা ফয়েজ আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।