শিরোনাম
Casino utan svensk licens flashback: Nytt utmaningar för spelareপার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্পের স্কিমগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে: পার্বত্য সচিবআসলে দেখার কেউ নেই, এখন ধর্মীয় অনুষ্টানের সময়ও পানি কিনতে হচ্ছেদুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবেএশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্টজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়েজয় পরাজয় থাকবে তবে মানুষের মাঝে মিলন মেলা আর বন্ধুত্বের জয় হবে: লে. কর্ণেল মীর মোরশেদОткройте для себя мир азарта в Казино Пин-ап с большими деньгами!আগামী পাঁচ বছরে ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডখাগড়াছড়ির রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

নানিয়ারচরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত ২৭টি ঘর

১৪৯

॥ তুফান চাকমা, নানিয়ারচর ॥

“আশ্রয়নের অধিকার-শেখ হাসিনার উপহার” এই স্লোগান নিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ৪র্থ পর্যায়ে রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় ২৭টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে রাঙ্গামাটি নানিয়ারচরে ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত ঘরগুলো এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ২২শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করার পরেই এই ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে উপকারভোগীদের মাঝে।

নতুন ঘরের অপেক্ষার প্রহর গুনছে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারগুলো। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো মানুষগুলো জায়গাসহ নতুন ঘর পাবে এমন আনন্দে অনেকেই আত্মহারা। ঘরে বসবাস করার আগেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নির্বাচিত ভূমিহীন পরিবারগুলো। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব তারা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে বসবাস করতে চান। এরই মধ্যে অধিকাংশ ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ঘরগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে নির্মাণ শেষ হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এই প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে প্রতিটি বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরে রয়েছে দুটি বেড রুম, টয়লেট, রান্নাঘর, নামাজের জায়গা বা ধর্মীয় স্থান ও একটি বারান্দা। ঘর ও আশপাশের জমি মিলিয়ে দুই শতক জমি দেওয়া হবে উপকারভোগী প্রতিটি পরিবারকে। লাল ও সবুজ টিনসেডের এই ঘরে একটি পরিবার স্বাচ্ছন্দে বসবাস করতে পারবে। এই প্রকল্পের আওতায় নানিয়ারচর উপজেলায় ৪ ইউনিয়নে পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে ২৭টি ঘর। লাল ও সবুজ টিন সেডের আধা পাকা ঘরগুলো একটি সৌন্দর্যের আধারে পরিণত হয়েছে। পরিবারের সুপেয় পানির জন্য বসানো হয়েছে দুটি গভীর নলকুপ। বিদ্যুৎ সংযোগের কাজও চলমান রয়েছে।

বুড়িঘাট ইউনিয়নের উপকারভোগী বিধবা চম্পা বেগম বলেন, কোনো জমিজমা না থাকায় স্বামীর মৃত্যুর পরে দুই সন্তান কে নিয়ে রাস্তার পাশে, বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে থাকতাম। আজ এ জায়গায়, কাল আরেক জায়গায় থাকতাম। বিভিন্ন সময় মেম্বার-চেয়ারম্যানদের কাছে থাকার জন্য একটু জায়গা চেয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে এই ঘর পেয়ে আমি খুব খুশি হয়েছি। বগাছড়ি এলাকার উপকারভোগী মোঃ তোতা মিয়া বলেন, বয়স হয়েছে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাস্তার পাশে থাকতাম। মাঝে মাঝে বিভিন্ন মানুষের দোকানের পেছনে থাকতাম। এখন একটি পাকা ঘর পেয়েছি। এরকম ঘরে বসবাস করব তা কখনও ভাবিনি। ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের হরিকিশোর চাকমা বলেন, কোনোদিন ভাবিনি পাকা ঘরে বসবাস করব। প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে ঘর দিল এতে আমি খুব খুশি। দুই রুমের এই ঘরে পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে পারব। বৃষ্টি আসলে এখন আর পলিথিন ঠিক করতে হবে না। না ঘুমিয়ে এক জায়গায় বসে থাকতে হবে না। একই ধরনের অনুভূতি ভূমিহীন বিধবা তপনা চাকমা ও সাগরিকা চাকমা।

ইউপি সদস্য মোস্তফা খান ও দিগন্ত চাকমা জানান, আমার এলাকায় যে আশ্রয়ন প্রকল্প হয়েছে তাতে আমরা খুব খুশি। বিনামূল্যে দুই শতক জমিসহ পাকা ঘর পেয়ে এলাকার ভূমিহীনরাও খুব খুশি। এই ঘরে তারা খুব শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।

নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রগতি চাকমা বলেন, আমাদের পার্বত্য এলাকায় ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ করে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু এলাকায় আরও অনেক ভূমিহীন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যদি আরও কিছু ঘর বরাদ্দ দিতেন তাহলে অন্য ভূমিহীনদেরকেও ঘর দিতে পারতাম।