শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

রাঙ্গামাটিতে পাট দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১৫৪

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

“পাট শিল্পের অবদান, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ” শ্লোগানে রাঙ্গামাটিতে জাতীয় পাট দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, পাট অধিদপ্তর ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে রবিবার সকালে র‌্যালি শেষে পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় রাঙ্গামাটি হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক কাজী শফিকুল ইসলাম এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আপ্রু মারমা বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম পাট অধিদপ্তরের পরিদর্শক পার্থ সারথি মুৎসুদ্দী।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ বান্ধব পাট ও পাটজাত পণ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ২০২৩ সালের ১লা জানুয়ারি পাট ও পাটজাত পণ্যকে বর্ষপণ্য ২০২৩ হিসাবে ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও পাট চাষে কৃষকের আগ্রহ সৃষ্টি, পাটপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি, পাট ও পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণসহ সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ সালে ৬মার্চকে জাতীয় পাট দিবস ঘোষণা করেন। পরিবেশ বিরোধী পলিথিনের ব্যবহার রোধ এবং পরিবেশ বান্ধব পাটের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, দেশ এক সময় এই সোনালী আঁশ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে কিন্তু দিন দিন সে ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। সে ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাষীদের পাট চাষে আগ্রহ বাড়াতে হবে। পরিবেশবান্ধব যেসব ফসল উৎপাদিত হয় সেসব ফসল উৎপাদনে চাষীদের বেশী করে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে পাট চাষ বাড়ানোর জন্য সরকারি উদ্যোগ কামনা করেন।

এসময় পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, পরিষদ সদস্য আছমা বেগম, পরিষদ সদস্য ঝর্ণা খীসা, সহ হস্তান্তরিত বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।