শিরোনাম
জেলা পরিষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় বান্দরবানে মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে সংবর্ধনারাঙ্গামাটির বরকলে আইমাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সুবিমল চাকমাকে সংবর্ধনাবুনো হাতির আক্রম থেকে মানুষকে বাঁচাতে দেড়কোটি টাকার সোলার অকার্যকরবৈষম্য রেখেই অবশেষে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করা হলোবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আবারো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার, জড়িতরা অধরাইতোমাদের মেধা ও যোগ্যতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুস্বাধীনতার ৫৫বছরেও বিদ্যুতের আলো দেখেনি কাপ্তাইয়ের কয়েকটি গ্রামমাটিরাঙ্গায় ‘সম্প্রীতি কাপ’ ফুটবল শুরু: প্রথম দিনের ম্যাচ ড্র‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ দীঘিনালায় মাদকবিরোধী র‌্যালিবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিতে আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের সহায়তা কামনা

১৩২

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেছেন, পার্বত্য চুক্তির কারণে বিভিন্ন দাতাসংস্থা পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে এগিয়ে এসেছে। ইতোমধ্যে ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ এবং রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে স্বাস্থ্য, প্রাথমিক শিক্ষা, কৃষি এবং পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। রবিবার (৫মার্চ) বিকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরীর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হলে চেয়ারম্যান পরিষদের উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরেন।

এসময় পরিষদের পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম, সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, নিউচিং মারমা, ঝর্ণা খীসা, আছমা বেগম, নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা এবং ইউএসএইড ও এসআইডি-সিএইচটি-ইউএনডিপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রম, পরিষদগুলির কার্যপ্রণালী, হস্তান্তরিত বিভাগগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত বিদেশী সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে বিভিন্ন জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন,

তিনি বলেন, আমেরিকান সরকার সিএইচটিডব্লিউসিএ প্রকল্প তথা ভিসিএফ এর মাধ্যমে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদকে এলাকার জলবায়ু ক্ষতিজনিত ঝুঁকি কমানোর জন্য সহযোগিতা করছে। প্রকল্পটি পার্বত্য চট্টগ্রামের বন ও পরিবেশ রক্ষায় একটি অনন্য প্রকল্প। এ প্রকল্পটি স্থানীয় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে। তাঁদের সহযোগীতার কারনে পরিষদের পরিচালিত প্রকল্পগুলি মানুষের যথেষ্ট উপকার সাধিত হয়েছে। এছড়াও এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিষ্ঠিত ৬৮টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিএইচটিডব্লিউসিএ প্রকল্পটি খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে। এ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করে বাকি ভিসিএফ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জলধারাসমূহ প্রকল্পের আওতায় এনে তা রক্ষার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন তাই এসব বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের একান্ত সহায়তা কামনা করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস এবং তাঁর সফর সঙ্গী সহ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়ে জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা প্রেরিত এক প্রেস নোটেও আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।