শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

মানিকছড়িতে কালচার এন্ড আর্ট ইনস্টিটিউট’র বসন্ত উৎসব

৪৪

॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মানিকছড়ি ॥

ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতিটি ঋতুর তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে হাজির হয় জীবন-জীবিকা ও আনন্দ-বেদনার বার্তা নিয়ে। তেমনি ঋতুর রাজ বসন্তও আমাদের মাঝে হাজির হয়েছে। বসন্তের উৎসব ও ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়াতে মানুষের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করেছে। দিনটিকে আনন্দঘন করে রাখতে দিনব্যাপী নানা আয়োজন করেছে মানিকছড়ির কালচার এন্ড আর্ট ইউনিস্টটিউট।

মঙ্গলবার (১৪ফেব্রুয়ারি) সকালে মানিকছড়ির মহামুনিস্থ হেডম্যান কার্যালয়ের সামনে কালচার এন্ড আর্ট ইউনিস্টটিউট’র ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের আয়োজনে গানের মাধ্যমে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে ফ্যাশন শো, রুমিও জুলিয়েট, দেবদাশ ও মনোয়ারি নাট্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেই সাথে পিঠা উৎসব ও বিকেলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ মাঈন উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রক্তিম চৌধুরী, মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মর্কতা (ওসি) মোঃ আনচারুল করিম, সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মং রাজা বীর মুক্তিযোদ্ধা মংপ্রুসাইন বাহাদুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কুমার সুইচিংপ্রুর পৃষ্ঠপোষকাতায় ও তার কন্যা নেইচেং ডালিয়ার উদ্যোগে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মানিকছড়ির কালচার এন্ড আর্ট ইউনিস্টটিউট শিক্ষক ফিউওনা, থোয়াই অং প্রু মারমা, মৃদুল কুমার ত্রিপুরা ও এ্যাচিং মারমা উক্ত আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয় উৎসব প্রাঙ্গণ।