শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

হেডম্যানটিলার ইটের রাস্তা এখন বালু-মাটির রাস্তা

১২১

॥ মোঃ ইসমাইল, পানছড়ি ॥

গ্রামাঞ্চলের মাটির রাস্তাগুলি পরিণত হচ্ছে ইটের রাস্তায়। যা ধীরে ধীরে গ্রামকে উন্নত করছে। তবে বর্তমান যুগে এসে রক্ষণাবেক্ষণ আর পরিচর্যার অভাবে ইটের তৈরি ইট সোলিং রাস্তা এখন বালু-মাটির রাস্তায় পরিণত হয়ে যাচ্ছে।

রাস্তাটি হচ্ছে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সদর ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের হেডম্যানটিলা এলাকা। পানছড়ি সাব জোন পেরিয়ে খানিকটা এগিয়ে গেলে ইসলামপুর এলাকার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে গ্রাম। তবে রাস্তার মুখ থেকেই যেন বাঁধা বিপত্তির শুরু। পুরো রাস্তার ইট দু-পাশে সরে গিয়ে দেখা দিচ্ছে মাটিকে। আর তাতেই প্রতিদিনই যেন গাড়ি উল্টে পড়ে যাচ্ছে খাঁদে। এ নিয়ে গ্রামবাসীর অভিযোগের যেন শেষ নেই।
এই রাস্তা ধরে হেডম্যানটিলা, যৌথ খামার, তেতুলটিলাসহ আরো বেশ কয়েকটি গ্রামে যাতায়াত করতে হয়। ব্যবসায়িক কেন্দ্রকে ঘিরে গ্রামে চলে একাধিক যানবাহন। তাছাড়া এই পথ ধরে যৌথখামার এলাকায় রয়েছে বিজিবি’র ফায়ারিং ক্যাম্প। এদিকে আবার অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলে রাস্তার কারনে আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় বলে জানায় এলাকাবাসী। রাস্তার এমন করুণ দশা দেখে আজ থেকে ৫ মাস তেতুলটিলা এলাকার আব্দুল মান্নান গাছে গাছে লাগিয়ে দিয়েছেন রাস্তার সতর্কবাণী। তবুও যেন প্রশাসনের নজর কাঁড়ছে না।

এলাকার বাসিন্দা অটোচালক মোঃ উমর ফারুক জানান, সকাল-বিকাল এ রাস্তায় চলাচল করতে হয়। আর প্রায়সই দূর্ঘটনা ঘটে। এতে যাত্রী ও গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে। এভাবে সকলধরনের যানবাহনগুলো দূর্ঘটনায় পড়ছে প্রতিদিন। আমি নিজ উদ্যোগে ভাঙা জায়গায় মাটি দিয়ে ভরাট করেছি তবুও প্রশাসন কেন কাজটি করছে না তা আমার জানা নেই। আরেক বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন জানায়, ইউপি সদস্য মোঃ ইউসুফ কে একাধিকবার বলার পরেও করা হবে বলছে কিন্তু ৪ মাস হয়ে গেলো অথচ রাস্তার কাজ শুরু করেনি। কবে হবে এই কাজ তাও বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ইউসুফ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কাবিখা” প্রকল্পের আওতায় কাজটি করানোর জন্য জেলায় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশাকরি খুব তাড়াতাড়িই কাজটি শুরু করা হবে।