শিরোনাম
জেলা পরিষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় বান্দরবানে মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে সংবর্ধনারাঙ্গামাটির বরকলে আইমাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সুবিমল চাকমাকে সংবর্ধনাবুনো হাতির আক্রম থেকে মানুষকে বাঁচাতে দেড়কোটি টাকার সোলার অকার্যকরবৈষম্য রেখেই অবশেষে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করা হলোবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আবারো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার, জড়িতরা অধরাইতোমাদের মেধা ও যোগ্যতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুস্বাধীনতার ৫৫বছরেও বিদ্যুতের আলো দেখেনি কাপ্তাইয়ের কয়েকটি গ্রামমাটিরাঙ্গায় ‘সম্প্রীতি কাপ’ ফুটবল শুরু: প্রথম দিনের ম্যাচ ড্র‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ দীঘিনালায় মাদকবিরোধী র‌্যালিবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

বান্দরবানে বিপুল পরিমান পপিখেঁত ধংস করল বিজিবি

১২১

॥ লামা ও থানচি উপজেলা প্রতিনিধি ॥

বান্দরবানে থানচি উপজেলা গহীন অরন্যে মাদক দ্রব্য প্রস্তুতকারক পপি চাষ করছে এক শ্রেনির প্রভাবশালীদের। গোয়েন্দা সংস্থাদের এমন সংবাদে ভিত্তিতে উপজেলা তিন্দু ইউনিয়নের এলাকা গভীর অরন্যে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান পপিখেঁত ধ্বংস করে দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী) সকালে ৩৮ বিজিবি বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল খন্দকার মুহাম্মদ শরীফ-উল-আলম, পিএসসি, নেতৃত্বে ১৫ জনের বিজিবি জোয়ানরা তিন্দু ইউনিয়নের কাইকা খুমি পাড়া এলাকা অনুমানিক ৫ একর জুড়ে পাহাড়ী জমিতে পপি চাষের সন্ধান পায়। বিজিবি’র টহল টের পেয়ে পপি চাষীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতের বিপুল পরিমান দিনব্যাপী পপিখেত ধংস করতে স্বক্ষম হয়। কাইক খুমি পাড়া তিন্দুমুখ বিজিবি ক্যাম্প থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার পশ্চিম- দক্ষিনের অবস্থান।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ৩৮ বিজিবি বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল খন্দকার মুহাম্মদ শরীফ-উল-আলম, পিএসসি বলেন ,বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত এলাকার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সেনা রিজিয়নের জোন হিসেবে ‘অপারেশন উত্তরণ’ এর আওতায় সেনাবাহিনী কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে। বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ছাড়াও চোরাচালান দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, দুর্গম পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে যথাযথ ও কার্যকরীভাবে পেশাদারিত্বের সাথে মাদক নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি এরই ধারাবাহিকতা চলমান রাখা হবে।
তিনি আরো বলেন থানচি উপজেলা গহীন অরন্যে আরও কোন পপি ক্ষেত আছে কিনা সে ব্যাপারে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ধ্বংসকৃত ৫ একর জমিতে চাষকৃত পপি প্রক্রিয়াজাত করনের পর আনুমানিক ২৫০ কেজি আফিম উৎপাদিত হতো। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৮৭ লক্ষ ৫০ পঞ্চাশ হাজার টাকা বলে দাবী করেন বিজিবি’র এই কর্মকর্তা।