শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

বান্দরবানে ভূয়া চিকিৎসক আটক

২১৬

॥ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ॥

বান্দরবানে চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণার দায়ে মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলী নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বান্দরবান পৌরশহরস্থ মধ্যমপাড়া এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মোঃ ইব্রাহীম আলী (৩৫) কক্সবাজার ঈদগাঁও থানার মেহেরঘোনা গ্রামের মোঃ আলীর ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, রুমা উপজেলার গ্যালেংগা ইউনিয়নে কলাপাড়ার গ্রামে নিজ বাড়িতে আগুন পোহানোর সময় পাওরি ম্রো পরনের থামিতে আগুন লেগে যায়। এতে তার দুই পা ও কোমর পর্যন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর ভাবে আহত হয়। চিকিৎসার জন্য ডাক্তার পরিচয়ে ইব্রাহিম আলীর সাথে যোগাযোগ হলে মধ্যমপাড়া নিজের চেম্বারে নিয়ে আসেন। চিকিৎসার জন্য ৭০ হাজার টাকা মৌখিক চুক্তি শেষে ভিকটিম মেনরোং ম্রো প্রাথমিকভাবে ৪৫ হাজার টাকা প্রদান করে। সাতদিন চিকিৎসা প্রদানের পরেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় সন্দেহ হলে এলাকার স্থানীয়দের সহযোগিতায় চিকিৎসক ভুয়া ডিগ্রিধারী বলে চিহ্নিত হয়। পরে ভিকটিম থানায় মামলা করলে ভূয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে বর্তমানে ভিকটিম পাওরি ম্রো কে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে বান্দরবান সদর হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়।

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহীদুল ইসলাম বলেন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলী দীর্ঘদিন ডাক্তার পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা প্রদান করে আসছে। চিকিৎসা প্রদানের জন্য নূন্যতম যোগ্যতা তার নেই এবং কোন সার্টিফিকেট ও ডিগ্রিধারী নয়। তারপরও সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু সহ ডেন্টাল কাউন্সিল আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।