শিরোনাম
যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সমন্বয় জরুরি: লোগাং জোন কমান্ডারকাপ্তাই অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন, চলছে প্রচারপরিশ্রান্ত বিএনপি’র সভাপতি দীপন তালুকদারকে স্বার্থক ও সম্মান করলো প্রধানমন্ত্রীখাগড়াছড়ির দীঘিনালা প্লাবিত সাজেক-লংগদু-সড়ক যোগাযোগ বন্ধজেলা পরিষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় বান্দরবানে মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে সংবর্ধনারাঙ্গামাটির বরকলে আইমাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সুবিমল চাকমাকে সংবর্ধনাবুনো হাতির আক্রম থেকে মানুষকে বাঁচাতে দেড়কোটি টাকার সোলার অকার্যকরবৈষম্য রেখেই অবশেষে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করা হলোবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আবারো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার, জড়িতরা অধরাইতোমাদের মেধা ও যোগ্যতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতু

রাঙ্গামাটিতে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

৩৭

॥ মোঃ আরিফুর রহমান ॥

‘শেখ হাসিনা বারতা, নারী পুরুষ সমতা” প্রতিপাদ্যে রাঙ্গামাটিতে আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৯ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর ইনামুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, বিপিএম (বার), সচেতন নাগরিক কমিটি সভাপতি নিরুপা দেওয়ান, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কানিজ জান্নাত, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য ঝর্ণা খীসা প্রমূখ। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস. এম. ফেরদৌস ইসলাম সহ সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলার নারী জাতির পদ প্রর্দশক বেগম রোকেয়া, তিনি লিখনির মাধ্যমে নারী জাতিকে জাগ্রত করে গেছেন। নারীরা  ঘরে বসে থাকার জন্য জন্মেনি  আজ বাংলাদেশের নারীরা পুরুষের সাথে সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে, সফলতার সাথে সকল দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আমাদের দেশে নারীদের দৃষ্টিভঙ্গীর অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। নারী পুরুষ সবাই মিলে মিশে কাজ করলে দেশ আরো অনেক এগিয়ে যাবে।

সভাশেষে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জন, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন, সফল জননী হিসাবে সাফল্য অর্জন, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা ও নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন পরিচালনার জন্য ৫জন নারীকে শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা প্রদান করা হয়।