শিরোনাম
যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সমন্বয় জরুরি: লোগাং জোন কমান্ডারকাপ্তাই অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন, চলছে প্রচারপরিশ্রান্ত বিএনপি’র সভাপতি দীপন তালুকদারকে স্বার্থক ও সম্মান করলো প্রধানমন্ত্রীখাগড়াছড়ির দীঘিনালা প্লাবিত সাজেক-লংগদু-সড়ক যোগাযোগ বন্ধজেলা পরিষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় বান্দরবানে মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যাকে সংবর্ধনারাঙ্গামাটির বরকলে আইমাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সুবিমল চাকমাকে সংবর্ধনাবুনো হাতির আক্রম থেকে মানুষকে বাঁচাতে দেড়কোটি টাকার সোলার অকার্যকরবৈষম্য রেখেই অবশেষে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করা হলোবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আবারো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার, জড়িতরা অধরাইতোমাদের মেধা ও যোগ্যতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতু

মহালছড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ক্ষেত ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী

৫৪

॥ মহালছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি সেনা জোনের অধীনে বিজিতলা সাবজোনের সেনাবাহিনীরা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ধ্বংস করেছে। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) ভোর ৬ টা হতে সারাদিন ব্যাপী ধৈল্লাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর টহল দল। সারাদিনের অভিযানে আনুমানিক ৮০ থেকে ১শ বিঘা জমির গাঁজা ক্ষেত এর সন্ধান পায়। গোয়েন্দা তথ্য সৃুত্রে জানা যায়, দূর্গম পাহাড়ে গাঁজার চাষ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে তা সরবরাহ করে থাকে মাদক ব্যবসায়ীরা। উদ্ধারকৃত গাঁজা একত্রে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সুত্রটি আরো জানায়, গহীন অরন্য ও দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় যেখানে তুলনামূলক জনবসতি কম সে সকল জায়গায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিরাপদ এলাকা হিসাবে বেছে নেয়। আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা, অস্ত্র ক্রয় ও তাদের বেতন ভাতাসহ অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে মাদক ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ ব্যয় করা হয়ে থাকে। ধৈল্লাপাড়া এলাকাটি প্রত্যন্ত ও দুর্গম হওয়ায় এই এলাকায় জনসাধারনের চলাচল নেই বললেই চলে। গাঁজা ক্ষেতের সন্ধান পাওয়ার পরপরই মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনীর একটি টিম গাঁজা ক্ষেত ধ্বংস করে আনুমানিক ১২শ থেকে ১৫শ কেজি গাঁজা পুড়িয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে তখন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের কর্মকর্তা নাসির ফেরদৌস সহ তার একটি টিম ও স্থানীয় থানার পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তবে, গাঁজা চাষের সাথে যুক্ত কাউকে আটক করা যায়নি। গোয়েন্দা তথ্য জানা যায়, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় ধৈল্লাপাড়ার স্থানীয় কারবারি রবি চাকমা ধ্বংসকৃত এই গাঁজা ক্ষেতের চাষ করে যাচ্ছিলেন। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি আগেই পালিয়ে যান।

টহল টিমের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মহালছড়ি সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার পাশাপাশি জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। মহালছড়ি সেনা জোনের এরুপ কার্যক্রম সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন প্রকার মাদকের চাষ বন্ধ এবং মাদক নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।