শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদান

আলীকদমে ৫ টি বসত বাড়ি ও ৭ দোকানে আগুনে পুড়ে ছাই

১২৩

॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,আলীকদম ॥

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার সদর ইউনিয়নে ২নং ওয়ার্ড খুইল্ল্যামিয়া চেয়ারম্যান পাড়া এলাকায় আগুন লেগে সাত দোকান ও পাঁচ বসতঘর আগুনে পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ভোর ৪ টা ৩০ মিনিটের সময় আলীকদম সদর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড খুইল্ল্যামিয়া চেয়ারম্যান পাড়ায় আগুনের লাগে। আলীকদম ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার মোঃশাহদাৎ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহদাত হোসেন জানান, ভোর ৪টায় হঠাৎ কোনো এক দোকান থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট এর মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এবং তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে দুই ইউনিটের তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ততক্ষণে সাতটি দোকান ও পাঁচটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত এক দোকানের মালিক নজরুল ইসলাম জানান, কোন দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তিনিও জানেন না। তবে তার প্রায় পাঁচ লাখ টাকার অধিক মালামাল পুড়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের মালিক ছেনোয়ারা (৫৫) জানান, আগুনে তার দোকানের সবকিছু পুড়ে গেছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বলে তার ধারণা।

আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানে সাত দোকান ও পাঁচ বসতঘর পুড়ে গেছে। সেগুলোতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমপক্ষে ৩০-৩৫ লাখ টাকা।
ফায়ার ফাইটার মোঃ শাহদাৎ হোসেন জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে তার ধারণা। পুড়ে যাওয়া সাতটি দোকান ও পাঁচ বসতঘরের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ত্রিশ লাখ টাকার অধিক হবে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি।

আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুবা ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি পাঁচটি পরিবারকে শুকনো খাবার, চাল, ডাল, তেল এবং হাড়ি-পাতিল, বালতি,মগ বিতরণ করেন। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারি সহযোগিতা করবেন বলে জানান।

আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ নাছির উদ্দীন সরকার অগ্নিকান্ডের স্থলে যান। তিনি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং পুলিশ সদস্যদের আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মালামাল রক্ষাসহ সার্বিক সহযোগিতার নির্দেশ দেন।