শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

বান্দরবানে শিশুকে বলাৎকার তরুণের যাবজ্জীবন

১০৮

॥ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ॥

বান্দরবান আলীকদমের তিন বছরের ছেলে শিশুকে বলাৎকারে অপরাধে শরিফুল ইসলাম (১৮) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু দমনের ট্রাইবুনাল। এছাড়াও তাকে পঞ্চাশ হাজার এক টাকা অর্থদন্ড জরিমানা ও অনাদায়ের আরো এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দন্ডিত করেন আদালত।

সোমাবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বান্দরবান নারী ও শিশু দমনের ট্রাইবুনালের আদালতের বিচারক ( জেলা ও দায়রা জজ) মোঃ সাইফুল রহমান সিদ্দিক এই রায় ঘোষনা দেন। সে আলীকদম উপজেলার ৬নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের সিরাজ কারবারী পাড়া গ্রামে নুরুল ইসলাম ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার সময় শিশুটি খেলা করার সময় ফুসলিয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে শরিফুল। এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে ছেলেটিকে না পেয়ে তার মা খোঁজাখুজি শুরু করে। এক পর্যায়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে কান্নার আওয়াজ শুনতে পেয়ে সেখানে ছুটে যায় তার মা। শিশুটির মায়ের উপস্থিতি দেখে দৌঁড়ে পালিয়ে যায় শরিফুল। পরে কান্নার কারণ জানতে চাইলে শিশুটি তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে। মা শিশুটির পায়ুপথে রক্ত দেখতে পায় এবং তার স্বামীকে ঘটানাটি জানায়। পরে ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর শরিফুল বাড়িতে ফিরলে ৪ সেপ্টেম্বও ভোর রাতে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে আটক করে শিশুটির অভিভাবক থানায় নিয়ে যায়। একই দিনে একমাত্র আসামী করে আলীকদম থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির অভিভাবক।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক (এস আই) মোঃ আমিনুল আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে চার্জশিট দাখিল করেন আদালতে।

রাষ্ট্রপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বাসিংথুয়াই মার্মা বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সুষ্ঠভাবে প্রমাণিত হয়েছে একটি তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে এবং ৫০ হাজার এক টাকা অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে আমরা সমাজের কাছে পৌঁছে দিতে চাই ধর্ষণকারী, নারী ও শিশু নির্যাতকারীদেও এ সমাজে কোন স্থান নেই।